content
stringlengths 0
129k
|
|---|
ভুত প্রেত সচক্ষে দেখেছে এবং স্পর্শ করেছে এমন দাবী করার মানুষ অনেক পাওয়া যাবে
|
সমস্যা হচ্ছে যে এই দাবীগুলো বস্তুনিষ্টভাবে যাচাই করার জন্য কোন নেই
|
ঈশ্বরের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য
|
কেউ যদি এসব যাচাই করার একটা হাজির করে তখন সেটা নিয়ে বৈজ্ঞানিক এর কথা বলা যায়
|
ততদিন পর্যন্ত ভুত প্রেত এবং ঈশ্বরকে দার্শনিকদের কাছে ছেড়ে দেয়াই শ্রেয়
|
একজন কথিত স্বাভাবিক অথবা একজন বিবাহিত বা একজন সদ্য তালাপ প্রাপ্ত কিংবা একজন হতাশাগ্রস্থ মানুষের মস্তিষ্কে কি লক্ষনীয় কোন পার্থক্য বিদ্যমান যেটাকে ভিত্তি করে নাল হাইপোথিসিস দাঁড় করানো যায় ?
|
অভিজিৎ জুলাই 4, 2011 3:07 পূর্বাহ্ন -
|
যে কেউ চাইলে একে করার চেষ্টা করতে পারবে যে কোন ল্যাবে
|
মনোবিজ্ঞানের কি এরকম কোন ' ' আছে যা এবং ?
|
আসলে আমি একটু ভিন্নভাবে পুরো ব্যাপারটিকে দেখি
|
আমার মতে ইভলুশনারী সাইকোলজি কোন একক থিওরী নয়, বরং একটি এপ্রোচ
|
এটি মানুষের ব্যবহার এবং আচরণ বুঝাবার জন্য একটি টুল
|
তাই যেভাবে ইভলুশনারী সাইকোলজির ফলসিফিকেশনের দাবী করা হয়, সেটা এখানে কতটুকু প্রযোজ্য তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে
|
আসলে ইভলুশনারী সাইকোলজি অনেক ধারণা এবং অনুকল্পের সমন্বয়, এবং ধারণাগুলোকে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে অবশ্যই ইম্পেরিকাল টেস্টিং এর মধ্য দিয়েই যেতে হবে, তা যেটাই হোক না কেন (অর্থাৎ প্রতিটি ধারণা হয়তো একক ভাবে ফলসিফায়েবল, কিন্তু পুরো বিবর্তনমনোবিজ্ঞান নয়)
|
যেমন বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীরা কয়েক দশক আগেই ধারনা করেছিলেন যে, নারী পুরুষের অয়াচরণে পার্থক্য থাকবে, থাকবে ঈর্ষা প্রদর্শনের ব্যাপারেও (, , , 1982; , 1979 ইত্যাদি)
|
পরবর্তীতে বহু স্টাডিতেই কিন্তু সেই পার্থক্যের ব্যাপারগুলো উঠে এসেছে (, , 2004; , , , 1992; ., 1999; , , , , 1996; , 2008; u, 2008; , 1999 ইত্যাদি)
|
এ ধরণের কাজ শুরুর আগে সমাজবিজ্ঞানীরা আর মনোবিজ্ঞানীরা কেবল সমাজ এবং পরিবেশ দিয়েই ব্যাপারগুলো ব্যাখ্যা করতেন, বিবর্তনীয় প্রেক্ষাপট থেকে নয়
|
ছেলে মেয়েদের মেটিং স্ট্র্যাটিজি নিয়ে, তাদের বিভিন্ন আচরণ নিয়ে, সহিংসতা, হত্যা প্রভৃতি নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে স্টাডি করা হয়েছে, যেগুলো উত্তীর্ণ হয়েছে সেগুলোই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
|
আমি এ প্রসঙ্গে স্টিভেন পিঙ্কারের একটি সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ উদ্ধৃত করছি -
|
: "- " . ' : , . , ?
|
: " " , , , ( ) . , , -- . ; , , -, , . , .
|
ভুত প্রেত সচক্ষে দেখেছে এবং স্পর্শ করেছে এমন দাবী করার মানুষ অনেক পাওয়া যাবে
|
সমস্যা হচ্ছে যে এই দাবীগুলো বস্তুনিষ্টভাবে যাচাই করার জন্য কোন নেই
|
ঈশ্বরের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য
|
কেউ যদি এসব যাচাই করার একটা হাজির করে তখন সেটা নিয়ে বৈজ্ঞানিক এর কথা বলা যায়
|
ততদিন পর্যন্ত ভুত প্রেত এবং ঈশ্বরকে দার্শনিকদের কাছে ছেড়ে দেয়াই শ্রেয়
|
আপনি যে বলেছেন, তাপের প্রভাবকে ব্যখ্যা করার জন্য ' ' আছে, সেই কোর থিওরী জানার আগেও মানুষ তাপ সম্বন্ধে জানতো
|
বৃষ্টির পেছনে ওয়াটার সাইকেল সম্বন্ধে জানার আগে থেকেই মানুষ জানতো যে বৃষ্টি পড়ে
|
প্রেম, ভালবাসা, ঘৃণা, ঈর্ষা প্রভৃতির কোর থিওরী না জানা থাকলেও সেগুলোর অস্তিত্ব যে আছে তা মানুষের তো অজানা ছিল না, ভুত প্রেতের সাথে এখানেই বোধ হয় পার্থক্য
|
বিবর্তন মনোবিজ্ঞান বহু আচরণের এবং প্যাটার্ণের উৎসের সন্ধান করছে, কিছু ক্ষেত্রে স্পেকুলেশন করতে হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী ব্যাখ্যা হাজিরও করছে
|
এই স্পেকুলেশন করার ব্যাপারটা কিন্তু শুধু বিবর্তন মনোবিজ্ঞান নয়, খোদ বিবর্তনেও হরহামেশা হয়
|
এমনকি জেরি কয়েন তার বিখ্যাত ' ' বইয়ে জোর দিয়ে বলেছেন, ...
|
" , . ,..."
|
তাহলে সেই স্পেকুলেশন আর ব্যাখ্যার ব্যাপারটা বিবর্তনমনোবিজ্ঞানের জন্যও প্রযুক্ত হতে পারে
|
তবে হ্যা, বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের পদ্ধতিগুলো বহু ক্ষেত্রেই রিগোরাস নয়, আমার ধারণা সময়ের সাথে সাথে সেটা শক্তিশালী হয়ে উঠবে
|
সংশপ্তক জুলাই 4, 2011 4:09 পূর্বাহ্ন -
|
কোন কিছুর অস্তিত্ব প্রমান বা খন্ডন করা কিন্তু বিজ্ঞানের কাজ নয় , বিজ্ঞানের কাজ প্রাকৃতিক ঘটনাবলীকে সুসংগঠিত এবং বস্তুনিষ্ঠভাবে বর্ণনা এবং ব্যাখ্যা করা
|
যতদিন প্রেমের মত বিষয়ের কোন বস্তুনিষ্ট ব্যাখ্যা না পাওয়া যায় , এটা নিয়ে নানা জনের নানা স্পেকুলেশন থাকবেই এবং সেটাকে বৈজ্ঞানিক বলা যাবে না
|
বিবর্তনবাদ নিজেই একটা ট্রান্সফরমেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে
|
ফসিল রেকর্ড আর এখন তেমন গুরুত্ব বহন করে না কারন আমরা দেখেছি যে ডিএনএ নিজেই একটা চলমান ইতিহাস বই সেখানে প্রতিটা ঘটনাবলী লিপিবদ্ধ আছে
|
যেটা আবার ডারউইন জানতেন না
|
বিবর্তন বলতে এখন জীবের এনাটমিক্যাল নয় বরং আনবিক কাঠামো তথা ডিএনএ , আরএনএ এবং প্রোটিনের কার্যাবলীর বিবর্তনকেই বোঝায়
|
এখানে স্পেকুলেশনের জায়গা কম এবং সব কিছুই ভৌতিক প্রমানের উপর নির্ভরশীল
|
প্রেম ভালোবাসা , বিষন্নতার মত ন্যারেটিভগুলোকে প্রথমে দার্শনিক গন্ডী পেড়িয়ে সুসংজ্ঞায়িতভাবে বিজ্ঞানের শক্ত কাঠামোর ভেতরে আনতে হবে যদি আমরা সেগুলো নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে চাই
|
শরীরের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলোর এক একটা সর্বজন স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নাম আছে যা সব কিছুর জন্যেই প্রযোজ্য
|
অভিজিৎ জুলাই 4, 2011 5:10 পূর্বাহ্ন -
|
কোন কিছুর অস্তিত্ব প্রমান বা খন্ডন করা কিন্তু বিজ্ঞানের কাজ নয় , বিজ্ঞানের কাজ প্রাকৃতিক ঘটনাবলীকে সুসংগঠিত এবং বস্তুনিষ্ঠভাবে বর্ণনা এবং ব্যাখ্যা করা
|
আমার মতে কিন্তু বিবর্তন মনোবিজ্ঞান সেই ব্যাখ্যা করার চেষ্টাই করছে
|
এতদিন জৈববিজ্ঞানকে বাইরে রেখে ব্যাখ্যা করতেন সমাজবিজ্ঞানী আর মনোবিজ্ঞানীরা, এখন ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে
|
অবশ্যই মানুষ সহ প্রানীজগতের আচরণকে ব্যাখ্যার জন্য বিবর্তন ছাড়া কেউ ব্যাখ্যা দিলে সেটা এখন আর সেভাবে 'বৈজ্ঞানিক' নয় বলেই পরিগণিত হয়
|
সেদিক থেকে বিবর্তন মনোবিজ্ঞান বেশ খানিকটা দূরত্ব অর্জন করেছে বলা যায়
|
তবে নিঃসন্দেহে শাখাটিকে শক্তিশালী হয়ে উঠতে হলে পাড়ি দিতে হবে আরো অনেক পথ
|
আপনাকে ধন্যবাদ, আলোচনার জন্য
|
ইফতি জুলাই 3, 2011 11:25 অপরাহ্ন -
|
মনে রাখতে হবে ঈর্ষাকালীন সময়ে অক্সিটোসিন বেড়ে যায় এটা শুধুমাত্র একটা পর্যবেক্ষন
|
হেলাল ভাইয়া জানতে চেয়েছিলেন ঈর্ষা যখন বেড়ে যায় তখন কোন বিশেষ হরমোন কি আছে যার পরিবর্তন হয় কিনা
|
আমি তাই ওনাকে একটা পর্যবেক্ষনের কথা বললাম
|
"এখন যেটাকে সনাক্ত করাই সম্ভব নয় ,সেখানে তার সাথে অক্সিটোসিনের মত একটা পর্যবেক্ষনযোগ্য অনুর যোগসূত্র স্থাপন কিভাবে সম্ভব ?"
|
বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা না থাকলেও এগুলোর অস্তিত্ব তো আছে
|
কেন যোগসূত্র স্থাপন সম্ভব নয় ? আপনি যখন অনুভব করছেন অনুভূতি,তখন আপনার শারীরিক পরিবর্তন পরীক্ষা করা হলেই তো আপনার ভেতর কোন হরমোনের নিঃসরন বাড়ল না কমল সেটা পরিমাপ করা যাবে
|
বিজ্ঞান মহলে ভালবাসার সাথে ডোপামিন হরমোনের প্রভাব ,বিষণ্ণতার সময় আর হরমোনের পরিবর্তন প্রমানিত
|
এই দিক থেকে খুব জনপ্রিয়
|
যখন পর্যবেক্ষন করা হল বিষণ্ণতার সময় লেভেল কমে যায় ,তখন ভাবা হয় বিষণ্ণতাকালীন সময় এই হরমোনের কিছুটা প্রভাব আছে
|
হিসেবে তাই (, , ) ব্যবহার করা হচ্ছে
|
"কৃত্রিমভাবে কেন অক্সিটোসিন নিয়ন্ত্রন করা যাবে না ? "
|
আমি আসলে এখানে হরমোন নিয়ন্ত্রনের কথা বলিনি
|
শুধুমাত্র হরমোনাল ব্যাপার হলে অবশ্যই নিয়ন্ত্রনযোগ্য হত
|
কিন্তু অনুভূতি সবসময় জটিল
|
এর পেছনে থাকবে অনেকগুলো হরমোন, অসংখ্য কেমিস্ট্রি, নিউরাল সিগনাল
|
সীমিত মাত্রায় পর্যবেক্ষন অনুযায়ী হরমোনাল লেভেল বাড়িয়ে/কমিয়ে কিছু কাজ করা যায় যেমনটা করা হচ্ছে বিষণ্ণতার সময়
|
জটিলতার কথা ভেবেই বলেছি কৃত্রিমভাবে অনুভূতিগুলো হয়ত পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করা যাবে না
|
কারন অনুভূতিগুলোর জেনেটিক লেভেলে কোন ভিত্তি নেই
|
(প্রথমবারেই মন্তব্য যাচ্ছে না
|
চার পাঁচ বার পোস্ট করা লাগে
|
সংশপ্তক জুলাই 4, 2011 12:32 পূর্বাহ্ন -
|
বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা না থাকলেও এগুলোর অস্তিত্ব তো আছে
|
কেন যোগসূত্র স্থাপন সম্ভব নয় ? আপনি যখন অনুভব করছেন অনুভূতি,তখন আপনার শারীরিক পরিবর্তন পরীক্ষা করা হলেই তো আপনার ভেতর কোন হরমোনের নিঃসরন বাড়ল না কমল সেটা পরিমাপ করা যাবে
|
আমি জানতে আগ্রহী ঈর্ষাকালীন সময়ে শরীরে যে পরিবর্তনগুলো ঘটে বলে দাবী করা হচ্ছে সেখানে নাল হাইপোথিসিসটা ( ) কি যেটা কিনা চার জন পোস্ট-ডক্টোরাল মলিকিউলার বায়োলজিস্টের একটা টীম ল্যাবে রিপ্রডিউস করার চেষ্টা করবে ?
|
প্রথমবারেই মন্তব্য যাচ্ছে না
|
চার পাঁচ বার পোস্ট করা লাগে
|
ফায়ার ফক্সের এই একটা সমস্যা আমাকেও ভোগায়
|
শ্রাবণ আকাশ জুন 28, 2011 6:09 পূর্বাহ্ন -
|
"যাদের মধ্যে ঈর্ষা ছিল না তাঁরা প্রজননগতভাবে সফল ছিলো না, তারা কোন উত্তরসূরী রেখে যান নি[1]
|
অন্য মহাপুরুষদের বেলায় এইটা সত্য হলেও নবীজির বেলায় কিন্তু খাটছে না
|
"যৌনতার অবিশ্বস্ততার ক্ষেত্রে কোন আলামত পাওয়া গেলে নারীদের চেয়ে পুরুষেরাই অধিকতর বেশি মণক্ষুন্ন হয়
|
এই জন্যই কি মেয়েরা এই বলে মেনে নেয় যে- পুরুষ মানুষ, ওরকম একটু আধটু তো করবেই
|
"যৌনতার ক্ষেত্রে অবিশ্বস্ততার আলামত পাওয়াতেই মারিয়া শ্রাইভার শোয়ার্সনেগারকে ছেড়ে চলে গেছেন
|
অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নারীরা সঙ্গির যৌন-অবিশ্বস্ততাকে খুব গুরুত্ব দিয়েই গ্রহণ করে, অধিকাংশ পুরুষের মতোই
|
এটা আমাদের দেশে মনে হয় ঠিক প্রযোজ্য নয়
|
স্ত্রী স্বাবলম্বী; স্বামীর কুকর্ম হাতে-নাতে ধরে ফেললেও মারিয়া শ্রাইভারের মত সিদ্ধান্তে আসতে জনম পার হয়ে যাবে
|
কোকিলাচারণ, শকুনাচারণ- বাংলাগুলো কি আপনার নিজের করা? 🙂
|
অভিজিৎ জুন 29, 2011 8:31 পূর্বাহ্ন -
|
@শ্রাবণ আকাশ,
|
এটা আমাদের দেশে মনে হয় ঠিক প্রযোজ্য নয়
|
স্ত্রী স্বাবলম্বী; স্বামীর কুকর্ম হাতে-নাতে ধরে ফেললেও মারিয়া শ্রাইভারের মত সিদ্ধান্তে আসতে জনম পার হয়ে যাবে
|
আশা নিয়ে ঘর করি, আশায় পকেট ভরি, আশা রাখি পেয়ে যাব বাকি দু' আনা! 🙂
|
কোকিলাচারণ, শকুনাচারণ- বাংলাগুলো কি আপনার নিজের করা?
|
তবে কেমন হয়েছে তা অবশ্য জানিনা! :))
|
লীনা রহমান জুন 27, 2011 11:14 অপরাহ্ন -
|
বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার জানলাম লেখাটা পড়ে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.