content
stringlengths 0
129k
|
|---|
রিয়াজ উদ্দীন জুন 29, 2011 8:36 পূর্বাহ্ন -
|
@অভিজিৎ দা,
|
ইমেল পেয়েছি
|
প্লেজেন্ট সারপ্রাইজ ছিল বলতে পারেন
|
প্রত্যাশা পুরোটা পুরণ না করতে না পারলেও চেষ্টা থাকবে
|
অনেক ধন্যবাদ
|
সেন্টু টিকাদার জুন 27, 2011 4:40 অপরাহ্ন -
|
ইসলামিক দেশগুলোতে কিংবা অনুরূপ সনাতন সমাজব্যবস্থায় মেয়েদের যে হিজাব পরানো হয়, বোরখা পরানো হয়, কিংবা গৃহে অবরুদ্ধ রাখা হয় - এগুলো আসলে প্রকারন্তরে পুরুষতান্ত্রিক 'সেক্সুয়াল জেলাসি'-রই বহিঃপ্রকাশ (ছবির কৃতজ্ঞতা - ইন্টারনেট)
|
আমি একবার সউদি আরব থকে প্রকাশিত " " বলে এক টা বই পড়েছিলাম
|
(বইটি বাড়িতে, সাথে নাই, তাই রেফারেন্স দিতে পারলাম না)
|
তাতে পড়েছিলাম একবার কোন এক নারী আলুথালু কাপড়ে নবীজির সাননে এসে দাঁড়ালে নবীজি ইতস্তত বোধ করেন ও উনি তাঁর এক পত্নিকে বলেন (নাম ভুলে গেছি) ওই আলুথালু কাপড়ের আংশিক অনাবৃত নারী যেন ঢাকা সাকা কাপড় পরে নবীজির সামনে আসে
|
সেন্টু টিকাদার জুন 27, 2011 4:23 অপরাহ্ন -
|
সখি ভালবাসা কারে কয়- এই সিরিজের মধ্যে রুমানা মঞ্জুরের প্রসংগ ঢোকানতেই সব কিছু পুরিস্কার
|
সন্দেহ, ভালবাসার বিভিন্ন ধরন (ব্যক্তি বিশেসে বা বলতে পারি জিন বিশেসে), ঈর্ষা, হিংসা, পতি-পত্নির না-গুরুত্ব দেয়া সম্পর্ক ইত্যাদি, ইত্যাদি, শেষ পর্যন্ত কোথায় আমাদিগকে নিয়ে যায়
|
অভিজিৎ, তোমার এই সিরিজটাও কিন্তু অনবদ্য
|
আগামিতে আরও কিছু সিরিজ লিখে পাবলিশ করলে (সবাই জানে) বেস্ট সেলার হবে
|
আমি সেই অগ্রিম অভিনন্দন কিন্তু এখনই দিয়ে রাখছি
|
শ্রাবণ আকাশ জুন 28, 2011 6:48 পূর্বাহ্ন -
|
@সেন্টু টিকাদার, আমারও তাই মত, কিন্তু অভিনন্দন আমি ওটা পাবলিশ করার পরেই দেব 🙂
|
অভিজিৎ জুন 29, 2011 8:28 পূর্বাহ্ন -
|
@সেন্টু টিকাদার,
|
ধন্যবাদ সেন্টুদা
|
বই বেস্ট সেলার হবার দরকার নাই, আপনাদের ভাল লেগেছে তাতেই আমি খুশি
|
ফরিদ আহমেদ জুন 27, 2011 12:11 অপরাহ্ন -
|
পুরুষরা কেন অত্যাচার করে তার বিবর্তনীয় মনোবৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা বুঝলাম
|
এই সাথে উচ্চ শিক্ষিত এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নারীরা কেন স্বামীর মারধর খেয়েও সংসার টিকিয়ে রাখতে চায় সেই বিষয়টার একটু ব্যাখা পেলেও মন্দ হত না
|
এই যে যেমন, রুমানা মঞ্জুরের তুলনায় সাইদ হাসান কিছু-ই নয়
|
অথচ দিনের পর দিন তিনি সাইদের হাতে মার খেয়ে গিয়েছেন
|
প্রতিবাদ করে শুরুতেই সাইদকে লাথি দিয়ে বের করে দিতে পারেন নাই
|
কেন মেয়েরা এই সাহসী কাজটা করতে পারে না? কিসের সংশয়, ভীতি আর দ্বিধা তাদেরকে এই কাজ করতে বাধা দেয়?
|
নওশের আহমেদ নিপুন জুন 27, 2011 2:42 অপরাহ্ন -
|
@ফরিদ আহমেদ,
|
এ প্রশ্নটার উত্তর মনে হয় খানিকটা সহজ
|
সামাজিকতার ভয়
|
পাছে লোকে কিছু বলে- এই ভয়টাকে উস্টা মারা সহজ নয় বলে
|
সমাজ রোমানা আর তার মেয়েকে আঙ্গুল উচিয়ে যে অশ্রাব্য বাক্য ছুড়তো সেটাকে এড়ানোর উপায় নেই বলে, সেগোলো সহনীয় নয় বলে এবং সবোর্পরি রোমানা হয়ত কল্পনাও করতে পারনি একবড় হিংস্র আক্রমন তারজন্য অপেক্ষা করছে
|
ফরিদ আহমেদ জুন 27, 2011 9:14 অপরাহ্ন -
|
@নওশের আহমেদ নিপুন,
|
এই উত্তরটা যে আসবে সেটা আমি জানি, তবে খুব একটা মানি না
|
নারীর সংশয়, নারীর ভীরুতা, নারীর দ্বিধাগস্ততা, তার পুরুষ আশ্রিত প্রবনতা, সমাজকে অগ্রাহ্য করার অক্ষমতা অথবা অনিচ্ছাকে আমরা সমাজের ঘাড়ে পুরোপুরি চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পছন্দ করি
|
সবোর্পরি রোমানা হয়ত কল্পনাও করতে পারনি একবড় হিংস্র আক্রমন তারজন্য অপেক্ষা করছে
|
কল্পনা না করতে পারার কী আছে? স্বামী প্রথম যেদিন গায়ে হাত তোলে, সেদিনই মেয়েদের বুঝে ফেলা উচিত যে এই স্বামীর সাথে সংসার করা যাবে না
|
হিংস্র আক্রমণের জন্য অপেক্ষা করাতে সমাজের দায় যতখানি, তারচেয়ে বেশি দায় বোধহয় নিজেরই
|
অপার্থিব জুন 27, 2011 3:57 অপরাহ্ন -
|
@ফরিদ আহমেদ,
|
কেন মেয়েরা এই সাহসী কাজটা করতে পারে না? কিসের সংশয়, ভীতি আর দ্বিধা তাদেরকে এই কাজ করতে বাধা দেয়?
|
বিবর্তনী মনোবিজ্ঞান পড়ে আর আমার নিজের কিছু চিন্তা ভাবনা থেকে এর একটা বিনীত ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করছি
|
এখানে "কেন মেয়েরা" এর যায়গায় "কেন আমাদের/রক্ষণশীল সমাজের মেয়েরা" বললে আরও সঠিক হত
|
পশ্চিমা সমাজ/উদার সমাজের বেলায় এটা ততটা সত্য নয়
|
আমার পুরান লেখা "বিবর্তন ও ভালবাসা" আর অভিজিতের এই সিরিজের লেখায় একটা কথা বলা হয়েছে যে পুরুষের বৈবর্তনিক লক্ষ্য হচ্ছে তার বংশাণুর সর্বাধিক ছড়ানোর চেষ্টা
|
এখানে সংখ্যার আধিক্যই মুখ্য
|
অনেক বংশাণু ছড়াতে পারলে তার বংশাণু পরবর্তী প্রজন্মে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়
|
আর অধিক সংখ্যায় বংশাণু ছড়ান পুরুষদের জন্য ব্যায়বহুল নয়, শুক্রাণু খুব সস্তা
|
প্রচুর শুক্রাণু মজুত থাকে পুরুষদের
|
অনেক শুক্রাণু ছড়াতে পারলে কিছু শুক্রাণু নষ্ট/ধ্বংস হলে অন্যগুলোর উদ্বর্তনের সম্ভাবনা থেকেই যায়
|
তাই পুরুষদের জন্য মানের চেয়ে সঙ্খ্যাই মুখ্য বিবেচ্য
|
আর পরকীয়া করে বংশাণু ছড়িয়ে পুরুষেরা ফাঁকি দিয়ে সন্তান পালনের পৈত্রিক দায়িত্ব এড়াতে পারত, কারণ সন্তান যে তারই এটা প্রমাণ করা যেতনা ডিএনএ টেস্ট আবিষ্কারের আগে
|
অন্যদিকে মেয়েদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল সন্তানকে উপযুক্তভাবে লালনপালন করে তাদের মাধ্যমে বনশাণু বিস্তার নিশ্চিত করা
|
মেয়েদের ডিম্বাণু ব্যায়বহুল, মাসে একটা , যেখানে পুরুষদের শুক্রাণু লক্ষ লক্ষ, সর্বদা মজুদ
|
কাজেই অধিক ডিম্বাণু ছড়ান মেয়েদের জন্য বিবর্তনীয়ভাবে সুবিধাজনক নয়
|
তাই সঙ্খ্যার চেয়ে গূনগত মান বাড়িয়ে বংশাণুকে পরবর্তী প্রজন্মে প্রেরণই তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য
|
আর এই গুণগত মানের জন্য মেয়েরা রসদ ও ভাল সঙ্গী/সন্তানের পিতার উপর অনেকটা নির্ভর করে
|
রসদের জন্যও সঙ্গীর উপর নির্ভর করে
|
এখন আসা যাক আমদের সমাজের বেলায়
|
এখানে সন্তানবতী মেয়েদের বিয়ে থেকে বেরিয়ে আসলে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে ভাল সঙ্গী পাওয়া দুষ্কর
|
কারণ অধিকাংশ পুরুষই অন্যের বংশাণুধারী সন্তানদের লালন পালনে অনিচ্ছুক
|
আর আমাদের সামাজিক মূল্যবোধে (যা আবার বংশাণু-সংস্কৃত সহ-বিবর্তনের( -) কারণে সৃষ্ট) তালাকপ্রাপ্ত মেয়েদের নীচু চোখে দেখা হয় ও তাদেরকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করা হয়, যার জন্য নীতিগতভাবে বিয়ে করতে আপত্তি না থাকলেও অনেক পুরুষ তাদের বিয়ে করতে সাহস পায় না
|
কাজেই নাবালক/নাবালিকা সন্তান নিয়ে সাহস করে বিয়ে থেকে বের হতে পারলেও সন্তানদের নিয়ে বিপাকেই পড়ে মেয়েরা
|
আর অনেক হীন চরিত্রের পুরুষেরাও এরকম মেয়েদের তাদের সন্তানদের দায়িত্ব নেবার ভান বা আশা দিয়ে দৈহিক সুবিধা নিয়ে পালিয়ে যায়
|
দুর্ভোগ আরো বাড়ে সেই মেয়ের
|
সমাজ তাকেই দুশ্চরিত্র মেয়ে বলবে, ছেলেটিকে নয়
|
তাসে উচ্চশিক্ষিত হোক বা না
|
আরো পরিহাসের বিষয় হল আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় উচ্চশিক্ষিত মেয়েদের দুশ্চরিত্র বলার প্রবণতা বেশি
|
নিঃসন্তান মেয়েদের জন্য বা যাদের ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে তাদের জন্য বিয়ে থেকে বের হয়ে আসা অপেক্ষাকৃতভাবে সহজ
|
রুমানা মঞ্জুরের বেলায়, যার সন্তানেরা অল্পবয়স্ক, তার জন্য এটা সহজ নয়
|
তবুও এটাও ঠিক যে পারিসাঙ্খ্যিক গড়বিচ্যুতির কারণে এমন মেয়েও আছে যে রুমাণা মঞ্জুরের অবস্থায় থেকেও অনেক সহজে এরকম বিয়ে থেক অনেক আগেই বেরিয়ে আসতে পারে
|
কিন্তু রুমাণা মঞ্জুর বিবর্তনীয় গড়ের প্রতিনিধিত্ব করে
|
নিটোল জুন 27, 2011 4:29 অপরাহ্ন -
|
@অপার্থিব, () :
|
লীনা রহমান জুন 27, 2011 11:11 অপরাহ্ন -
|
@অপার্থিব, ভাল বলেছেন ()
|
ফরিদ আহমেদ জুন 28, 2011 12:16 পূর্বাহ্ন -
|
@অপার্থিব,
|
ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার একটা ব্যাখ্যা দেবার জন্য
|
আপনার ব্যাখ্যাটা চমৎকার, তবে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারি নি আমি
|
বিজ্ঞান বিষয়ে আমার বদ্ধ জ্ঞানের কারণেই এটা ঘটেছে
|
আপনার কোনো দায় নেই এখানে
|
যৌন মিলনের ক্ষেত্রে বংশানু ছড়ানোটাই পুরুষ বা নারীর মূল লক্ষ্য এই বিষয়টাকে মানতে একটু কষ্ট হয় আমার
|
কোনো পুরুষ যখন অসংখ্য নারীর সাথে মিলিত হতে চায়, তখন সে বংশানুবৃদ্ধির উদ্দেশ্য দ্বারা চালিত হয়, নাকি স্রেফ আনন্দলাভের পৈশাচিক ইচ্ছা থেকে মিলিত হয় সেটা নিয়ে দ্বিধায় থাকি আমি
|
আমার সবসময়ই মনে হয় যে, নারীবাদী হতে গিয়ে আমরা নারীদের অনেক কিছুকেই পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করি
|
ঠিক নিরপেক্ষ এবং নির্মোহ বিশ্লেষণটা কারো কাছ থেকেই পাওয়া যায় না
|
নারীর বিপক্ষে কথা বলতে গেলে পুরুষবাদী তকমাটা গায়ে লেগে যাবে, এই ভীতিতে হয়তো অনেকেই আচ্ছন্ন থাকি
|
বাস্তব জীবনে আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো বিরাট পুরুষবাদী, কিন্তু বাইরে কথাবলার সময় বা লেখার সময় নিজেকে নারীর বন্ধু প্রমাণের একটা সুস্পষ্ট আগ্রহ থাকে
|
হয়তো পুরুষবাদীর তুলনায়, নারীবাদী আখ্যাটার সামাজিক ভ্যালু বেশি, সেটাই সচেতনে বা অবচেতনে কাজ করে থাকে মনের মধ্যে
|
সে কারণেই নারীর সংশয়, নারীর ভীরুতা, নারীর দ্বিধাগস্ততা, অনিশ্চিত জীবনের প্রতি তার প্রবল অনাগ্রহ, তার পুরুষাশ্রিত সপ্রবনতাকে আমরা সমাজের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে উঠি
|
এক্ষেত্রে নারীদের কোনো দায়দায়িত্ব আছে বলে আমরা স্বীকার করতে চাই না
|
বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা এতখানি মধ্যযুগে পড়ে নেই যে, একজন উচ্চশিক্ষিত নারীর অত্যাচারী স্বামী ত্যাগ তাঁর মান-সম্মানের জন্য বিরাট ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে
|
বাংলাদেশ বাদ দিলাম,
|
দেশের বাইরেই বা কয়টা উচ্চশিক্ষিত এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশি মেয়ে এই সাহসটা দেখাতে পারছে?
|
আমাদের সমাজে তালাকপ্রাপ্ত নারীদেরই শুধু মেটিং ভ্যালু কমে যায় তা নয়, পুরুষদেরও যায়
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.