content
stringlengths 0
129k
|
|---|
৯৯.৯৯% নারী সেটাও করতে ভয় পায়
|
বাঁচতে হবে, শুধু এই সহজ সত্যটা বুঝলেই হয়
|
ফাইট ব্যাক
|
রাহনুমা রাখী জুন 30, 2011 10:55 অপরাহ্ন -
|
@নীল রোদ্দুর,
|
দারুন বলেছেন
|
তবে আমার মনে হয় বিয়ে নামক চুক্তি মানে দাসত্বের চুক্তি
|
এই দাসত্ব মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি হলেও ছেলেরাও এ থেকে মুক্ত নয়
|
ফাইট ব্যাক
|
প্রতিফলন জুন 29, 2011 10:01 অপরাহ্ন -
|
@আকাশ মালিক,
|
লজ্জা লজ্জা লজ্জা,নারীর কাছে পুরুষের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ তাদের একজন এই পাশবিক কাজটি করতে পারলো?
|
কোথাও ভুলে হচ্ছে না কি? আসুন, অবচেতন মনেও সবাইকে মানুষ ভাবি
|
আল্লাচালাইনা জুন 30, 2011 12:09 পূর্বাহ্ন -
|
@আকাশ মালিক,
|
লজ্জা লজ্জা লজ্জা,নারীর কাছে পুরুষের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ তাদের একজন এই পাশবিক কাজটি করতে পারলো?
|
এই ঘটনাটা থেকে বহু কিছুই ফিগার আউট করার আছে, এবং একেকজন একেকটা জিনিষ ফিগার আউট করছে
|
কেউ ফিগার আউট করলো- এইটা পুরুষদের জন্য লজ্জাষ্কর, কেউ ফিগার আউট করলো নারীদের উচিত ফাইটব্যাক করা, কেউ ফিগার আউট করলো মেয়েদের হাইপারশহনশীলতা তাদের দুর্দশার জন্য বহুলাংশে দায়ী, কেউ ঘটনাটায় ফিগার আউট করলো বিবর্তনতত্ব
|
এই মুহুর্তে আমি ফিগার আউট করলাম উপরোক্ত সবগুলো অনুভুতিরই একটা মিশ্র জিনিষ, তবে যেই জিনিষটা আমাকে বিশেষভাবে অবাক এবং হতভাগ্য বোধ করায়, সেটা হচ্ছে- এই ঘটনাটি থেকে কিছু বঙ্গসন্তান ফিগার করেছিলো "এক হাতে তালি বাজে না!" : : উপরে আবার ফারুকেও ইতিহাস পাতিহাস ঘেটে সমস্যার সমাধানে একটি ন্যায়বিচার ফিগার আউট করল দেখা যাচ্ছে!!
|
ব্রাইট স্মাইল্ জুন 30, 2011 12:40 পূর্বাহ্ন -
|
@আল্লাচালাইনা,
|
উপরে আবার ফারুকেও ইতিহাস পাতিহাস ঘেটে সমস্যার সমাধানে একটি ন্যায়বিচার ফিগার আউট করল দেখা যাচ্ছে!!
|
আর সেই ন্যায়বিচারটা হলো গিয়ে মৃত্যুদন্ড
|
কি সাংঘাতিক!
|
সামান্য একটি পরকীয়ার শাস্তি মৃত্যুদন্ড কল্পনা করা যায়?
|
প্রতিফলন জুন 29, 2011 7:37 অপরাহ্ন -
|
@ফরিদ আহমেদ,
|
আপনার মন্তব্যের সাথে এতটাই একমত যে কেবল সহমত প্রকাশ করার জন্যই এ মন্তব্যটা করছি
|
আমি বিশ্বাস করি - অধিকার কেউ কাউকে দিয়ে দেয় না, আদায় করে নিতে হয়
|
এটা নারী হিসেবে হোক, কিংবা মানুষ হিসেবে
|
রৌরব জুন 27, 2011 7:41 পূর্বাহ্ন -
|
শকুনাচরণ শব্দটা জবর লাগল
|
অভিজিৎ জুন 28, 2011 1:41 পূর্বাহ্ন -
|
শকুনাচরণ, কোকিলাচরণ সবকিছুই আছে
|
যার যেটা পছন্দ বাছিয়া লৌন 😉
|
সংশপ্তক জুন 27, 2011 6:50 পূর্বাহ্ন -
|
কোন কিছুকে জৈবিক বিবর্তনের আলোর নিচে ফেলার সরাসরি অর্থই দাড়ায় যে সেটার একটা জেনেটিক ভিত্তি রয়েছে যা ইমপিরিক্যালি পর্যবেক্ষনযোগ্য হতে হবে
|
এক্ষেত্রে নতুন শাখা বৈবর্তনিক মনোবিজ্ঞানের প্রাথমিক চ্যালেন্জই হচেছ একটি নির্দিষ্ট আচরনের সাথে সম্পৃক্ত নির্দিষ্ট জিনটি চিহ্নিত করা
|
জীবের কোন আচরণকে যদি জেনেটিক বলা হয় এবং কোন জিন বা কোন অনু সেই আচরনের জন্য দায়ী - সেটা খন্ডনযোগ্যভাবে না চিহ্নিত করা যায় , তাহলে যে প্রথম প্রশ্নটি একজন জীব বিজ্ঞানীর মনে উদয় হবে , তাহলো যে প্রকৃতই আচরনটির কোন জেনেটিক তথা বৈবর্তনিক ভিত্তি আছে কি ?
|
যে কারনে সনাতন মনোবিদ্যা বৈজ্ঞানিক মানদন্ডে এখন পর্যন্ত কৃতকার্য হতে পারেনি , সেই একই কারনটি বৈবর্তনিক মনোবিদ্যার ক্ষেত্রেও এখন পর্যন্ত প্রযোজ্য যদি না এই শাখাটি প্রাণীর আচরনের সুনির্দিষ্ট এবং ইমপিরিক্যালি পর্যবেক্ষনযোগ্য জেনেটিক ভিত্তি দিতে ব্যর্থ হয়
|
অন্যথায় সমাজ বিজ্ঞানের শাখামালায় নতুন নতুন পালক যুক্ত হতেই থাকবে অর্থনীতি, মনোবিদ্যা এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পথ ধরে
|
অভিজিৎ জুন 27, 2011 7:28 পূর্বাহ্ন -
|
হ্যা, বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের যে সমালোচনাগুলো আপনি করেছেন সেটা আমারো
|
বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের অধিকাংশ গবেষণাই এখনো পরিসংখ্যানভিত্তিক
|
তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে খুব ভাল গাণিতিক মডেল উপস্থাপন করা হয়েছে, তারপরেও এটা যতক্ষণ না আরো নিগূঢ় পরীক্ষণভিত্তিক এবং সর্বপোরি 'জেনেটিক' গবেষণাভিত্তিক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে, ততদিন এ সমালোচনাগুলো থাকবেই
|
আশা করব সময়ের সাথে সাথে এটির প্রকাশ আরো সবল হবে
|
গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ
|
আল্লাচালাইনা জুন 27, 2011 1:45 অপরাহ্ন -
|
যে কারনে সনাতন মনোবিদ্যা বৈজ্ঞানিক মানদন্ডে এখন পর্যন্ত কৃতকার্য হতে পারেনি
|
'কার্গো কাল্ট সায়েন্স' কথাটি শুনে থাকবেন বোধহয়, যেটি কিনা গ্রেইট রিচার্ড ফাইনম্যান কয়েনকৃত একটি টার্ম
|
এই টার্মটি তিনি উদ্ভাবনই করেন বিশেষ করে তথাকথিত মনোবিজ্ঞান কেনো সত্যিকারের বিজ্ঞান নয় সেটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে
|
সমস্যা হচ্ছে মনোবিজ্ঞানকে যদি বিজ্ঞান বলতে হয়, তাহলে জ্যাক লাকা নামক এই করুণ সমাজবৈজ্ঞিনী-দার্শনিক ভাড়টিকেও একজন সত্যিকারের বিজ্ঞানী এবং সত্যিকারের পড়াশুনা জানা মানুষ হিসেবে অভিহিত করা লাগে
|
ও ইয়েস, সেই জ্যাক লাকা একদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠে যার কিনা প্রচ্চন্ড প্রচ্চন্ড গণিত কষার শখ চাগা দেয়, এবং খাতা কলম নিয়ে বসে তিনি এক অভুতপুর্ব গণিত কষে ফেলেন
|
আমি নিশ্চিত মানব ইতিহাসে এইরকম গণিত এর আগে কখনও কষা হয়নি, এর পরেও কখনও কষা হবে না, হলেও হবে তার মতোই আরেকজন সুডোস্কলার দার্শনিক বিরিঞ্চিবাবা কর্তৃক! তার গণিতের ফলাফল ছিলো গিয়ে, ...
|
:- পুরুষাঙ্গ = -১ এর বর্গমুল!!! :-
|
এখানে উল্লেখ্য জ্যাক লাকা নিজেকে একজন সমাজবৈজ্ঞানী, মনোবৈজ্ঞানী, দার্শনিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে
|
একেতো সাইকোলজি নিজেই হচ্ছে একটা কার্গো কাল্ট সায়েন্স, এরউপর যদি এর পুর্বে যুক্ত হয় ইভলিউশনারি প্রত্যয়টি, তবে অন্য কারো কথা জানিনা, আমাকে সেটা ব্যথিতই করে
|
কেননা, আমি কিছুটা হলেও জানি ইভোলিউশন কি এবং . আর সত্যিকারের বিজ্ঞানীরা ইভলিউশনারি সাইকোলজি করে না, ইভলিউশনারি সাইকোলজি করে গিয়ে সাতোশি কানাযাওয়ার মতো স্নেইক অয়েল সেলসম্যানেরা যারা বিজ্ঞানের মোড়কে নিজেদের মনগড়া একটা হোকাস-পোকাস আইডিওলজি মানুষের উপর চাপিয়ে দেবার ধান্দায় থাকে
|
একে ইভলিউশনারি বায়োলজি এমন একটা বিষয় যেটার কিনা বিরিঞ্চিবাবাক্রান্ত হবার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশী
|
একদল ইউজেনিক্স করে ইভোলিউশনারি বায়োলজির বারোটা বাজায়, আরেকদল বারোটা বাজায় সোশ্যাল ডারউইনিজম করে- এমতাবস্থায় ইভলিউশনারি বায়োলজির ঘাড়ে ইভলিউশনারি সাইকোলজি নামক আরেকটা সিন্দাবাদের ভুত চাপানোর মানেটা কি, যেখানে এইটা কিনা কোয়াইট এভিডেন্ট যে এই ভুতটিকে পরবর্তীতে খসানো হতে যাচ্ছে অপেক্ষাকৃত কঠিন? ইভলিউশনারি বায়োলজির দুই একটা বই আমি পড়েছি এবং সেগুলোতে অথারদের ইভলিউশন নিয়ে এইসব কার্গোকাল্ট সায়েন্টিস্টরা যেই ভ্যান্ডালিজম চালায় সেটা সম্পর্কে কখনই পজিটিভ হতে দেখিনি! কেউ যদি কোনকিছুকে সায়েন্স বলে তাহলে সবার প্রথমে সেইটাকে এভিডেন্স বেইজড হতে হবে, এমন একটা দাবীও করা যাবেনা যেইটার সপক্ষে কোন এভিডেন্স নাই
|
আমার সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা হচ্ছে, ইভোলিউশনারি সাইকোলজি যা যা বলতে চায় সেটা কেনো ইভলিউশনের ছত্রছায়ায় বলতে হবে, ইভলিউশনারি বিশেষণটা বাদ দিয়ে শুধু সাইকোলজি বললে এর গুনগত মানটা কমছে কোথায়? আর সত্যিকারের বিজ্ঞান যেইভাবে কাজ করে, সাইকোলজি কিংবা ইভলিউশনারি সাইকোলজি ক্লিয়ারলিই সেই একই পদ্ধতিতে কাজ করছে না
|
অভিজিৎ জুন 27, 2011 7:53 অপরাহ্ন -
|
@আল্লাচালাইনা,
|
হাঃ হাঃ, আপনার বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান নিয়ে আক্রোশ একেবারেই যাচ্ছে না দেখছি
|
ইউজিনিক্সের অপব্যবহার হয়েছিলো তা সত্যি, কিন্তু তা বলে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সঠিকভাবে তা প্রয়োগ করা যাবে না, সেটা তো নয়
|
আজকের বিবর্তনবাদী মনোবিজ্ঞানীরা দাবী করেন অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই তাদের গবেষণা করছেন
|
তারা খুব ভালভাবেই নাৎসী ইউজিনিক্স কিংবা স্পেন্সরের সামাজিক ডারউইনবাদ থেকে নিজেদের কাজকে আলাদা করতে পেরেছেন
|
নাৎসীরা ডারউইনবাদকে ভুলভাবে প্রয়োগ করে ইউজিনিক্স নামে অপবিজ্ঞানের চর্চা করেছিল বলেই ভবিষ্যতে ডারউইনীয় দৃষ্টিকোন থেকে আর কখনোই কোন কিছু বিশ্লেষণ করা যাবে না এই দিব্যি কেউ দিয়ে যায়নি
|
বস্তুতঃ প্রাণিজগত যেমন - গরিলা, শিম্পাজিদের সামাজিক প্যাটার্ণ গবেষণার জন্য ডারউইনীয় বিবর্তন তত্ত্বের শ্মরণাপন্ন হওয়া ছাড়া গতি নেই
|
মানুষও তো প্রানীজগতের বাইরে নয়, তাহলে মানব সমাজকে ডারউইনীয় বিশ্লেষণ থেকে বাইরে রাখতে হবে কেন?
|
হ্যা জ্যাক লাকা কিংবা সাতোশি কানাজাওয়ার মতো কিছু নাট কেস সব শাখাতেই আছে
|
তা বলে পুরো শাখা তো বাতিল হয় যায় না
|
আপনি নিশ্চয় 'o ' সম্বন্ধে অবহিত; সেই জার্মান পদার্থবিদ o সেমিকন্ডাকটর নিয়ে 'যুগান্তকারী' গবেষনার ফলাফল হাজির করেছিলেন, সেগুলো প্রকাশিত হয়েছিল সায়েন্স, নেচারের মত জার্নালে
|
পরে দেখা গেল তার গবেষনা পুরটাই জোচ্চুরী
|
কিন্তু এর মধ্যেই তিনি -- , , সহ বহু পুরস্কার বাগিয়ে নিয়েছিলেন
|
তাকে অভিহিত করা হচ্ছিল সময়ের সবচেয়ে উদীয়মান বিজ্ঞানী বলে
|
তার এ সমস্ত জোচ্চুরী প্রকাশিত হবার পর বিভিন্ন জার্নাল থেকে তার পেপারগুলো সরিয়ে নেয়া হয়, এমনকি তার পিএইচডি ডিগ্রীও বাতিল হবার উপক্রম হয়েছিল
|
এখন কথা হচ্ছে o এর মত এক বাটপারের জন্য কি পুরো পদার্থবিদ্যা কিংবা সেমিকন্ডাকটরের সব রিসার্চ বাতিল হয়ে গেছে? হয়নি কিন্তু
|
শাখাগুলো সুডোসায়েন্সেও পরিণত হয়নি
|
একই কথা বলা যায় বিবর্তন সম্বন্ধেও
|
বিবর্তনেও তো কিছু জোচ্চুরী হয়েছে - পিল্টডাউন ম্যান হোক্স, নেব্রেস্কা ম্যান হোক্স এগুলোর কথা কমবেশি সকলেই জানেন
|
কিন্তু সেগুলোর কারণে পুরো বিবর্তনকে বাতিল বলার চেষ্টা করেন সৃষ্টিবাদীরা
|
তাই সাতোশি কিংবা এরকম কারো জন্য পুরো শাখা বাতিল হতে পারে না
|
যদি তাদের গবেষনায় ভুল হয়, সেটা বৈজ্ঞানিকভাবেই দেখানো সম্ভব
|
আরো একটা ব্যাপার হল - যারা বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের পায়োনিয়ার যেমন, জন টুবি লিডা কসমাইডস, তারা কিন্তু হার্ডকোর বিজ্ঞানীই ছিলেন
|
আমি যতদূর জানি টুবি প্রথম জীবনে ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী, আর লিডা এন্থ্রোপলজিস্ট
|
এরা নিঃসন্দেহে বিজ্ঞান বোঝেন, তারা সুডোসায়েন্স প্রমোট করলেন, আর দুনিয়াব্যাপী সবাই সেটা টুপ করে গিলে ফেললো, তা কিন্তু নয়
|
প্রতিটি নতুন শাখাকেই বিভিন্ন কাঠখড় পুড়িয়েই নিজ আসনে অধিষ্ঠিত হতে হয়
|
বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের জন্যও সেটা সত্যি
|
আর বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের অনেক গবেষকই যেমন - হেলেনা ক্রনিন, সারা বাফার হার্ডি, রবিন বেকার, রিচার্ড রাংহ্যাম - এরা কিন্তু হার্ডকোর বাইয়োলজিস্ট কিংবা এন্থ্রোপ্লজিস্ট ছিলেন
|
কাজেই তারা জীববিজ্ঞান না বুঝেই সেটা সামাজিক জীবনে প্রয়োগ করবেন, সেটি সম্ভবতঃ সঠিক উপসংহার হবে না
|
ইউ টিউব থেকে জন টুবি আর লিডা কসমাইডসের একটা সংলাপভিত্তিক ডকুমেন্টরি দেয়া গেল -
|
://../?=_84
|
রিচার্ড ডকিন্সেরও কিন্তু ইভলুশনারী সাইকোলজি নিয়ে অনেক লেকচার আছে
|
তার মধ্যে এটি আমার খুব প্রিয় -
|
://../?=794
|
আমার মতে, যেটা দরকার তা হল বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের ত্রুটি বিচ্যুতিগুলো দূর করা, শাখাটিকে পুরোপুরি বাতিল করা নয়
|
আল্লাচালাইনা জুন 28, 2011 6:50 পূর্বাহ্ন -
|
@অভিজিৎ, বিবর্তনবাদী মনোবিদ্যা বলছে- "এইযে পুরুষেরা এতো জেলাস হয় এর অবশ্যই একটা কারণ রয়েছে, এইটা পুরুষের ফিটনেস কোন না কোনভাবে বর্ধিত করছে"
|
খুবই ভাল কথা, কিন্তু এইটা কি অনেকটা সেলফ ইন্টুইটিভই না যে- একটা জিনিষ টিকে থাকলে এইটাই বেশী সম্ভাবনাপুর্ণ যে সেটার কোন না কোন সিলেক্টিভ এডভান্টেইজ রয়েছে? বিবর্তন মনোবিদ্যা নতুন কি উপাত্তটা উতপাদন করলো এইখানে?
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.