content
stringlengths 0
209k
|
|---|
ঐ সমস্যা আর হয় নি
|
এটাকে আমি কী বলবো??যে তিনি এভাবেই ভালো হয়ে যেতেন
|
তাহলে কী প্রাণ গোপাল বাবু ভুল বলেছেন?? নাকি হোমিও কাজ করলো??নাকি আমার মাসি মনে করছে তার সমস্যা ভালো হয়ে গেছে??
|
আমাই পুরাই কনফিউজড... :- :-
|
দেবাশিস্ মুখার্জি সেপ্টেম্বর 27, 2010 2:51 পূর্বাহ্ন -
|
হোমিওপ্যাথিতে কাজ করে না ব্যাপারটা সঠিক না
|
আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়তাম তখন আমার কাঁধে একটা আঁচিল হয়
|
তারপর শৈখিন হোমিও ডাক্তার আমার বাবা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে আমি কী টাইপের সমাধান চাই
|
হোমিওতে দুই ধরণের সমাধান আছেঃ
|
১
|
ঐ আঁচিলকে সাময়িকভাবে নাই করে দেওয়া
|
তবে এতে ভবিষ্যতে আবার হবার সম্ভাবনা থাকে
|
২
|
চিরতরে বিদায়
|
তবে এই ঔষধে প্রথমে সাড়া গা ভর্তি হবে তারপর একেবারে চলে যাবে
|
আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিয়েছিলাম
|
ঔষধ খেয়ে একদিন পর সাড়া গা ভর্তি আঁচিল হল
|
সেগুলো অনেক যন্ত্রণা দিয়ে পাকাপাকি করে চলে গেল
|
আর কখনও হয় নি
|
আল্লাচালাইনা সেপ্টেম্বর 27, 2010 5:58 পূর্বাহ্ন -
|
@দেবাশিস্ মুখার্জি, হোমিওপ্যাথিতে কাজ করে না ব্যাপারটা সঠিক না
|
একজন ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রের উপর এটি খুবই কাজ করতে পারে
|
আর বিশেষত হোমিওপ্যাথি প্রয়োগকারী ডাক্তারটি যদি হয় নিজের বাবাই তবে কোনধরণের হোমিওপ্যাথি ছাড়াই আচীল ভালো হয়ে যাওয়া উচিত
|
আমি যদি আপনার জাগায় থাকতাম তবে আমার বাবাকে বলতাম 'আব্বু? এইসব কোয়্যাকারি ফোয়্যাকারি থুয়ে ভালো হয়ে যাও এইবেলা
|
কোনই গর্ব নেই মানুষের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়ায়
|
'
|
যাই হোক এইবার সিরিয়াসলিই মন্তব্য করি
|
আপনি যেই ঘটনা বলছেন এটা যদি আমি নিজের চোখেও দেখে থাকতাম তারপরও বিশ্বাস করতাম না যেমন অবিশ্বাস করি আপনার মত আরও অনেকের মুখে শোনা জীন পরীর গল্প
|
আপনি যেমন নিজের চোখে হোমিওপ্যাথি দেখেছেন তারাও কিন্তু নিজ চোখে জিন দেখেছে
|
সমস্যাটা হচ্ছে একজন শিক্ষিত মানষ জিন দেখে না বা দেখলেও সেটা সে জনসম্মুখে বলে বেড়ায় না, মেডিকেল অ্যাডভাইস গ্রহন করে সে বরং তাতক্ষণীকভাবে
|
একইভাবে মুক্তমনার মত একটি জায়গাতেও আমি মনে করি হোমিওপ্যথি কাজ করে কি করে না এটি নিয়ে বিতর্কের কোনই অবকাশ নেই
|
হোমিওপ্যাথি কি কাজ করে? না করে না .
|
দেবাশিস্ মুখার্জি সেপ্টেম্বর 27, 2010 11:49 পূর্বাহ্ন -
|
@আল্লাচালাইনা, আমার বাবা মোটেও মানুষের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গেন না; কারণ তিনি বাণিজ্যিকভাবে কারো চিকিৎসা করেন না
|
তিনি পেশায় একজন শিক্ষক
|
আপনি জ্বীন পরীর সাথে এটার তুলনা করলে তো ভাই কিছুই বলার থাকে না
|
এটা কোন ভালো পদ্ধতি না হতে পারে,তবে এটাও একটা চিকিৎসা পদ্ধতি
|
আর অনেকে ভালো হচ্ছে
|
তবে কতটুকু বিজ্ঞান সাপেক্ষ তার ব্যাপারে প্রশ্ন থেকে যায়
|
আর শুনুন এটা হ্যানিম্যানের চিকিৎসা বিজ্ঞান যা আমারের প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি না
|
ইবনে-সিনা ও এই প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে কাজ করেন নি
|
তাই বলে তিনিও কি মানুষের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খেয়েছেন???
|
আর মুক্তমনার কথা বলছেন??আমি যতদূর জানি, মুক্তমনার উদ্দেশ্য আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো
|
অন্যের বক্তব্য সঠিক না হলে যুক্তিদ্বারা তা ভুল বলে প্রমাণ করা
|
অন্যের উপর বক্তব্য চাপিয়ে দেওয়া না
|
আল্লাচালাইনা সেপ্টেম্বর 27, 2010 2:05 অপরাহ্ন -
|
@দেবাশিস্ মুখার্জি, দুঃখিত সিরিয়াসলি নিবেন না এটা, আপনার বাবা আমার মন্তব্যের কোন ফোকাস নয়
|
এবং পেশায় উনি শিক্ষক হলেও কিন্তু ওনার শখের হোমিওপ্যাথি চর্চা কোয়্যাকারিই থেকে যায়
|
অবশ্যই আপনি আলোচনা করেই সিদ্ধান্তে পৌছবেন
|
কিন্তু আলোচনার টপিক যদি হয় পৃথিবি কি আসলেই সূর্যের চারপাশে ঘরে কিনা, আমি মনে করি মুক্তমনা সেই আলোচনার জায়গা হওয়া উচিতি নয়, কেনন এটি একটি প্রোসায়েন্স ফোরাম
|
আমি বলছি না যে এখানে কেউই এন্টিসায়েন্স নন, তবে এন্টিসায়েন্সেরা খুবই খুবই মাইনরিটি
|
ইবনে সিনা আর কি কি করেছেন জানি না তবে তার করা যেই যেই কাজগুলো মেডিসিনে বিপ্লব সাধন করেছে সেই সবগুলোই কিন্তু এভিডেন্সবিত্তিক
|
বিজ্ঞানের মজা হলো এটি ফলপ্রসু, এটি উতপাদন করে, এটি জীবন সহজ করে
|
রিপ্রডিউসিবিলিটি হচ্ছে বিজ্ঞানের প্রাণ
|
যেই ফলাফল রিপ্রডিউসিবল নয় তার কোন মূল্য বিজ্ঞানে নেই
|
আপনার যদি হোমিওপ্যাথি খেলে কাজ হয় তবে আরও একহাজার মানুষ খেলে তাদেরও কাজ করতে হবে
|
র্যান্ডমাইজড, ডাবল ব্লাইন্ড, কন্ট্রোলড ক্লিনিকাল ট্রায়ালে এই পর্যন্ত যতোবার হোমিওপ্যাথিকে নিয়ে আসা হয়েছে কোনবারই হোমিওপ্যাথি প্লেসিবোর চেয়ে ভালো ফল দিতে পারেনি
|
১০০০ জনের একটি কোহর্টকে তিন ভাগে ভাগ করে যদি জ্বরের ট্রিটমেন্ট হিসেবে দেওয়া হয় কিছুই না, একটি ম্যাসাজ ও আইবিউপ্রফেন তবে এই ম্যাসাজ গ্রুপ কিন্তু পজিটিভ রিপোর্ট করবে ওই গ্রুপ অপেক্ষা যারা কিছুই পায়নি
|
এটাক বলে প্লেসিবো ইফেক্ট
|
এর মানে কি ম্যাসাজ কিছুই নার চেয়ে জ্বরের একটি ভালো ট্রিটমেন্ট? না, ম্যাসাজ ও কিছুই না উভয়েই সমান, উবভয়েই এরা কাজ করে না, তবে কনফর্মেশনাল বায়াসের কারণে ম্যাসাজ বোগাসভালো ফলাফলপ্রদর্শন করছে
|
আর হোমিওপ্যাথি যদি কাজ করেই থাকে, আমার প্রশ্ন হবে কি ক্রে এটা কাজ করে? আইবিউপ্রফেন কি করে জ্বর কমাবে আমি জানি
|
এটি পাকস্থলীতে অ্যাবজর্ব হবে, আমরা প্রোব করতে পারি আসলে অ্যাবজর্ব হচ্ছে কিনা; এটি রক্তে বাহিত হবে, আমরা অ্যাসে করতে পারি রক্তে আইবিউপ্রফেনের ঘনত্ব, এটি টার্গেটের সাইক্লোওক্সিজেনেস এনজাইম ইনহিবিট করবে, আমরা অ্যাসেরতে পারে কতো অ্যাফিিটিতে আইবিউপ্রফেন সেই ইনহিবিশনের কাজ করছে; সাইক্লোক্সিজেনেস ইনহিবিট হলে প্রস্টাগ্লান্ডিন সংশ্লেষ বন্ধ হবে, আমরা রক্তে মেপে দেখতে পারি কমে যাওয়া প্রস্টাগ্লান্ডিনের পরিমান, প্রস্টাগ্লান্ডিনের অভাবে মস্তিষ্কের হাইথ্যালেমাস যার কাজ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন তা আর মাত্রাতিরিক্ত ফায়ার করতে পারবে না, প্রত্যেকটি একক নিউরনের ফায়ারিং প্যাটার্ন আমরা অ্যাসে করতে পারি; এবং হাইপথ্যালেমাসের ফারারিং বন্ধ হলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকে নেমে আসবে, এবং থার্মমিটার দিয়ে মেপে আমরা দেখতে পারি আসলেই কমছে কিনা
|
এটাকে বল বিজ্ঞান
|
আর হোমওপ্যাথি কাজ করে কিভাবে, কিভাবে আমি অ্যাসে করতে পারি তার কার্যক্ষমতার প্রত্যেকটি প্রক্রিয়া আর ধাপগুলো? আপনি হোমিওপ্যাহতি ডিফেন্ড রতে চাইলে আপনাকে লিটারেচারের রেফরেন্স দিতে হবে
|
এই মুহুর্তে পাবমেডে জমা আছে হোমিওপ্যাথির সমস্ত ট্রায়ালগুলোর ৪৫ টি মেটারিভিউ ও শখানেক রিভিউ যাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকাশিত নেইচার, সায়েন্স ও নিউ ইংল্যান্ডে
|
এদের একটিও হোমিওপ্যাথি কাজ করে এই উপসঙ্ঘারে পৌছেনি
|
এই কারণেই হোমিওপ্যাথি কাজ করে না
|
আপনি যদি বলতে চান এটা করে, আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয় আমি দেখতে চাইবো এভিডেন্স, প্রমান
|
এবং কন্ট্রল্ড সেটিং এ সেই প্রমানের রিপ্রজিউসিবিলিটি
|
ইমন ফেব্রুয়ারী 1, 2010 10:35 অপরাহ্ন -
|
আমি মানছি আপনার কথাটা পুরোপুরি সঠিক
|
তবে আমি টিভিতে দেখছি যে সরাসরি রোগীরা বলছে রোগীরা ঔষধ খেয়ে পুরোপুরি সূস্থ্য আছে
|
://../?=590
|
এটার জবাব তাহলে কি ভাবে দেয়া যায়
|
প্লিজ উপরোক্ত লিংকটা দেখবেন
|
ডিসেম্বর 10, 2009 5:04 পূর্বাহ্ন -
|
আসলে হোমিওপ্যাথি কিভাবে কাজ করে তা জানার জন্য গবেষনার যে পদ্ধতি তা ভুল! আর এটা কিভাবে কাজ করে তা এর চিকিত্সকদের পক্ষে বোঝানো মুশকিল, কেননা তাদের আধুনি বিজ্ঞানে দুর খুব কম! তবে - নিয়ে পড়াশুনা করে আমি বুঝতে পারি এটা কাজ করতেও পারে, একেবারে অসম্ভব না! ধরুন 30 ওষুধের কথা ! এতে ৩০০ ভাগ এর সাথে এক ভাগ মূল নির্যাস আছে! এটা কিন্তু একেবারে "কিছু নাই" তা না! এক শিশি ওষুধে তাও কয়েক কোটি অনু পাওয়া যাবে! মাত্র ২ গ্রাম কয়েক অনু থাকে! আঁচিল বা এর চিকিত্সায় এটা আসলেই কার্যকর ! কিন্তু কিভাবে? সম্ভবত খুব সল্প পরিমান ওষুধের অনু আঁচিল এর আক্রান্ত কোষগুলো চিন্হিত করে সেগুলোতে করে ফেলে ! ফলে তা মরে শুকিয়ে ঝরে যায়! আমার মনে হয় এভাবেই এর চিকিত্সাও সম্ভব হচ্ছে ! এটা কিন্তু কনসেপ্ট করে! আসলে এই ওষুধে সাগর এর সমান জলে নির্যাস বা মূল উপাদান মেশানো হয়না যা এ দেখানো হয়েছে! ওগুলো আসলে গুলার অপপ্রচার!
|
অভিজিৎ ডিসেম্বর 10, 2009 9:53 অপরাহ্ন -
|
@ ,
|
আপনার উত্তর পড়লাম, খুব একটা মনঃপুত হলো না
|
- নিয়ে পড়াশুনা করুন আর যাই করুন, সাধারণ যুক্তি আর গণিতগুলো এড়িয়ে যাওয়া বোধ হয় সম্ভব নয়
|
ন্যানোটেকনোলজি নিয়ে আমিও কিছুটা পড়েছিলাম, আমার মাস্টার্স এবং পিএইচডি কোর্সে, কিন্তু সেটার সাথে হোমিওপ্যাথিকে মেলানো আমার চোখে কষ্ট কল্পিত
|
হোমিওপ্যাথি কিভাবে কাজ করে তার ব্যাখ্যাটা আরেকবার দেই
|
দেখা যাক ঠিক কতটা লঘুকরণের কথা আমরা বলছি
|
আমি কিছুটা বলেছিলাম আদিলকে উত্তর দিতে গিয়ে (এই পোস্টের একদম প্রথম দিকে আমার উত্তরটা দেখুন) য়ারেকটু ভাল ভাবে বলি সবার জন্য
|
দিগন্তও বোধ হয় কোথাও লিখেছিলো এ নিয়ে
|
হোমিওপ্যাথিতে ডাইলুশনকে ১০ এর মাত্রায় ঘনত্ব হিসেবে প্রকাশ করা হয় আর তা রোমান হরফ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়
|
অর্থাৎ,
|
1 হল 1/10,
|
2 হল 1/100 আর
|
3 হল 1/1000 ইত্যাদি ...
|
বাজারে যে 30 অসুধ বাজারজাত হয়, যাতে ১-এর পিঠে ৩০টা শূন্য - এই রকম পরিমাণ জলে ১ পরিমাণ অসুধ মেশানো হয়
|
তাও না হয় তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম
|
কিন্তু বাজারে 30 অসুধ পাওয়া যায়, তা কি রকম ডাইলুটেড, সে নিয়ে বোধ হয় অনেকেরই ধারণা নেই
|
আমি ব্যাখ্যা দিছি
|
উপরে আমরা দেখেছি যেমন 10 গুণ করে বাড়ে
|
সেরকম হোমিওপ্যাথি ডাক্তারেরা বলেন - বাড়ে 100 গুণ করে
|
মানে,
|
1 হল 1/100,
|
2 হল 1/10000 আর
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.