title stringlengths 9 97 | content stringlengths 48 3.94k |
|---|---|
‘শাওনের মৃত্যু বিএনপির গুলিতে’ অভিযোগ ভাইয়ের | তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। ’ তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ একটা কর্মসূচিতে তারা গুলি করেছে। এটা একটা গণতান্ত্রিক দেশে চলতে পারে না। ’ |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | কভিড মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিকে যে ধকল সইতে হচ্ছে, তা এড়ানোর সুযোগ বাংলাদেশের নেই। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সব দেশকেই কমবেশি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। আমাদের চিন্তাগ্রস্ত করে, যখন এর সঙ্গে আমাদের নিজস্ব কিছু চ্যালেঞ্জ যুক্ত হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশের সার্বিক আর্থিক খাত ও বৈদেশিক মুদ্র... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | তা সামাল দিতে সরকার সচেষ্ট, তবে কিছু বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। বলা প্রয়োজন, মূলত আর্থিক খাত ও মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা দূর করার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। একই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে, এখন যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, তা মোকাবেলা করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির একার পক্ষে সম্ভব নয়।আমাদের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছ... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | তারপর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঠিক রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের অস্থিরতা দূর করা। এর সঙ্গে রয়েছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ। এই বিষয়গুলো শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের নয়, সরকারের অন্য অনেক প্রতিষ্ঠান নীতি ও পদক্ষেপের সঙ্গে জড়িত। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি এবং এর সার্বিক নীতিমালা ও প্রুডেনশিয়াল নর্মস দিয়... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এ জন্য দরকার হলো একটি সমন্বিত পদক্ষেপ এবং সেটি দ্রুত গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, যেকোনো নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেই, বিশেষ করে মনিটারি ট্রান্সমিশন মেকানিজমটি (পণ্যমূল্য ও অথনৈতিক কর্মকাণ্ডে মুদ্রানীতির প্রভাব প্রক্রিয়া) সংশ... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় তৈরি না হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন।এ অবস্থায় আমাদের বিদ্যমান মুদ্রানীতি এবং এটার প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা করা দরকার। প্রথমেই আমি বলব, এখানে মুদ্রানীতির সঙ্গে রাজস্বনীতির একটি গভীর সংযোগ তৈরি করতে হবে। রাজস্বনীতিতে বাজেট ঘাটতি হয়, কোনো ক্ষেত্রে বরাদ্দ কমে যায়, কোথাও প্রণোদনা দিতে হয় |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | ফলে এটাকে মুদ্রানীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হতে হবে। আবার মুদ্রানীতি যদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তাহলে এর মাধ্যমে বাজারে অর্থের সরবরাহ কমাতে সার্বিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু এর বিপরীতে যদি বড় বড় প্রকল্প দাঁড় করানো হয়, সরকারিভাবে বড় আকারের আমদানি অব্যাহত থাকে এবং সরকারি খাতে বড় আকারে বৈদেশিক মুদ্র... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | বাংলাদেশ ব্যাংক এ চেষ্টা করছে। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের স্বাধীনতা যেটুকু আছে, সেটা হলো ব্যাংকিং খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ। এটি সামগ্রিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলেও ছোট করে দেখার বিষয় নয়। ব্যাংক খাতে নানা রকম অনিয়ম রয়েছে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এখানে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব রয়েছে। ইদানীং একটি ভালো জিনিস লক্ষ করা যাচ্ছে, ব্যাংকিং সেক্টরে সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং মনিটরিং জোরদার করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক তৎপর। তবে প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশ্নও আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১০টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এ ছাড়া ছয়টি ব্যাংকের এমডির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে, কয়েকটি ব্যাংকের ফান্ড ম্যানেজারকে প্রত্যাহার করার উদ্যোগ দেখা গেছে। সমস্যা হচ্ছে, এভাবে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু করলে সার্বিক অবস্থার উন্নতি হয় না। কারণ ওই ব্যাংকগুলো ছাড়াও অন্য অনেক ব্যাংকেই একই ধরনের অনিয়ম রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনিয়ম আরো বেশি আছে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এ অবস্থায় সার্বিকভাবে আমি গুরুত্ব দিতে চাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর, যাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করা যায়। সংস্কার বলতে আমি আইনগতভাবে ব্যাপক পরিবর্তনের কথা বলছি না। তবে আইনের ক্ষেত্রে কিছু ধারা অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। যেমন—ব্যাংকের পরিচালনায় একই পরিবারের পাঁচজন সদস্য থাকতে পারেন এবং... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এ ছাড়া ঋণের প্রভিশনিং ও পুনঃ তফসিলীকরণ করার মতো কিছু নীতি রয়েছে। এগুলোতে হাত দিতে হবে। কারণ এগুলো উল্টো ফল দিচ্ছে। ব্যাংকে অনেক আগে থেকেই, বিশেষ করে আশির দশক থেকে শুরু করে নব্বইয়ের দশকে বারবার সংস্কার ও পরিবর্তন আনা হয়েছে, নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এগুলো মোটামুটি ঠিক ছিল। এর পরও কিছু ব্যাংক সমস্যার মধ্য দিয়েই গেছে। এখন বহু ব্যাংকেই সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তৎপরতার প্রয়োজন |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এই কথাগুলো আসছে এই কারণে যে আমাদের বর্তমানের বড় সমস্যা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি এবং তা নিয়ন্ত্রণে সবাইকেই তৎপর হতে হবে। মূল্যস্ফীতি অনেকটাই সরবরাহজনিত বিষয়। আর আমাদের সরবরাহ চেইনের বড় উৎস আমদানি। বাইরে কোনো পরিস্থিতিতে পণ্যমূল্য বেড়ে গেলে কিংবা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে আমাদের এখানে বেশ বড় প্রভাব পড়ে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | আবার আমাদের অভ্যন্তরীণ কিছু দুর্বলতা ও অনিয়মের কারণে প্রভাবটা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বাইরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে জাহাজে পরিবহন ব্যয়সহ নানা কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। এটাকে আমরা বলি ইমপোর্টেট ইনফ্লেশন। এর প্রতিফলন বাজারে পড়ে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এরপর দেশের ভেতরে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এবং বড় বড় আড়তদার ও পরিবেশকরা কিভাবে বাজারে প্রভাব বিস্তার করে, সেদিকেও নজর দিতে হবে। এদিকটায় বরাবরই নজর কম দেওয়া হয়। সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে অভিযান চালাতে দেখছি। কিন্তু এগুলো সাময়িক ও আংশিক পদক্ষেপ |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | বিচ্ছিন্ন অভিযান না চালিয়ে বড় ধরনের জরিমানা কিংবা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে পারলে কিছু কাজ দিতে পারে।মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে আমাদের চালের দামের দিকে সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে। এটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে। চাল আমাদের ভোগের প্রধান অংশ |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | তাই চালের মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রথমেই নজর দিতে হবে কৃষিতে। এ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সহজলভ্যতা এবং সর্বোপরি প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে। এ খাতে আগের চেয়ে প্রণোদনা কমেছে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | এটাকে আরো বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও রয়েছে।এখন আসা যাক বৈদেশিক মুদ্রা প্রসঙ্গে। এই মুহূর্তে আমাদের রিজার্ভ মুদ্রা ডলারের দাম বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম দেখা যায় |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | সরকারিভাবে প্রতি ডলারের দাম ৯৫ টাকা। আবার ব্যাংকাররা বাজার থেকে অর্থাৎ এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে ১০৫ বা ১০৬ টাকা দিয়ে ডলার ক্রয় করছে। কারণ প্রবাসীরা কম দামে ডলার পাঠাতে চান না। তাই তাঁরা হুন্ডির দিকে ঝুঁকছেন |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | অন্যদিকে ব্যাংকগুলো যখন রপ্তানি নগদায়ন করে, তখন তাদের ১০২ বা ১০৩ টাকা প্রদান করতে হচ্ছে। আর কার্ব মার্কেটে ডলার ১১০-১১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একসময় ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিভাবে? নীতিনির্ধারকরা বলছেন, আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান নীতিতে পরিস্... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | তাই নীতিগুলোকে আরো যৌক্তিক করতে হবে।এই অবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ বৃদ্ধির বিষয়ে বিশেষ জোর দিতে হবে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা আছে। কিন্তু আদৌ এতে কতটা সাফল্য পাওয়া যাবে তা-ও ভাবতে হবে |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | তাই সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ও পোর্টফোলিও বিনিয়োগ কিভাবে বাড়ানো যায় সে জায়গায় কাজ করতে হবে। এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের একার দায়িত্ব নয়। এখানে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা দূর করতে হলে এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংককে স... |
মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা | কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যতটুকু করণীয় তা করতে হবে। এ জন্য নীতি পর্যালোচনার দরকার আছে। যেমন—কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে মুদ্রা সরবরাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কিন্তু রেপো রেট বাড়িয়ে মুদ্রা সংকোচন করার বিপরীতে সুদের হার ছেড়ে না দেওয়া পরস্পরবিরোধী অবস্থান। তাই বাংলাদেশ ব্যাংককে তার নীতি পর্যালোচনা করতে হবে। তবে শেষ ক... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | জাতিসংঘ ঘোষিত সিডও (Convention on the Elimination of all forms of Discrimination Against Women (CEDAW) - নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ দলিল। একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে নারীর সব অধিকার প্রতিষ্ঠার দলিল সিডও। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই সনদ ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর গৃহীত হয়। এটা কার্যকর হতে শুরু করেছে ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টে... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | আবহমান কাল ধরে চলে আসা নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক—সব ক্ষেত্রে ধর্মের নামে, নানা প্রথার নামে যে বৈষম্য চলে আসছে তা দূর করে নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘ এ সনদ প্রণয়ন করেছে।৯টি আন্তর্জাতিক সনদের মধ্যে অন্যতম সিডও সনদ, যাকে বলা হয় Women’s Bill of Righ... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সিডও সনদে অনুমোদনকারী দেশগুলো শুধু নারী-পুরুষের সমতা স্বীকৃতি প্রদান করেনি, সেই সঙ্গে তা বাস্তবায়নেরও স্বীকৃতি আদায় করেছে। এর অর্থ হচ্ছে যেকোনো দেশ কর্তৃক এ বিল অনুমোদনের মাধ্যমে তা সেই দেশের সংবিধান, আইন-কানুন ও নীতিমালায় প্রতিফলিত হতে হবে।সিডও সনদের বিষয়গুলো হলো : ১. মানবসমাজ সভ্যতার বিক... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | ৩. নারীর উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আইন প্রণয়ন। ৪. প্রচলিত বৈষম্যমূলক আইনের (নারীর স্বার্থ পরিপন্থী) সংস্কার এবং তা প্রয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে নারীবান্ধব প্রশাসন তৈরি বা ভিত্তি স্থাপন। ৫. নারীর অধিকার মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। ৬. এই মূলকথাগুলো ধারণ করে তিনটি মৌলিক নীতির ওপর প্... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | ৭. সিডও সনদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এই সনদটিকে জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারবিষয়ক অন্যান্য সনদ থেকে ভিন্নতা দিয়েছে। যেমন—ক. সিডও সনদ নারীর মানবাধিকার সংক্রান্ত একমাত্র আন্তর্জাতিক সনদ। খ. নারীর প্রতি বৈষম্যের সংজ্ঞা সিডও সনদে সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গ. সিডও সনদ প্রথম জনজীবন (public) এবং ব্যক্তিগত জীবন (Private)—এই উভয় ক্... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | ঘ. সিডও সনদ রাষ্ট্রের ওপর বাস্তবায়নে আইনগত বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। ঙ. রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন—সব ক্ষেত্রে এবং বৈশ্বিক অবস্থা-নির্বিশেষে নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রকৃত সমতা অর্জনের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা এই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে। চ. নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রকৃত সমতা স্থাপনের জন্য বিশেষ ... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | ঝ. সিডও সনদে ক্রমাগত নারীর অবস্থা সদস্য রাষ্ট্রগুলোয় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।সিডও সনদ অনুমোদনের এক বছরের মধ্যে এবং পরবর্তী চার বছর অন্তর সিডও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রতিটি দেশের জাতীয় রিপোর্ট জাতিসংঘের সিডও কমিটিতে পেশ করতে হয়। সিডও কমিটির বিশদভাবে পর্যালোচনা করে এবং এর ওপর বিভিন্ন মন্তব্য ও সুপারিশ রিপোর্ট প্রদানকা... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার রিপোর্টগুলোর মধ্যে সিডও কমিটি নারী নির্যাতন প্রতিরোধে এবং সরকারের পক্ষ থেকে নারীর পক্ষে ভূমিকা পালন সম্পর্কে ধারণা নিয়ে সে অনুযায়ী রিপোর্ট প্রদানকারী দেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। সিডও সনদে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৪ সালে স্বাক্ষর করার পর থেকে প্রতি চার বছর অন্তর সরকার ও বেসরকারি রিপোর্ট সিডও ... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | ২০০০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশসহ আরো অনেক দেশ তা স্বাক্ষরের জন্য অনুমোদন করে। নিজ দেশে কোনো নির্যাতিত নারী বিচার লাভে ব্যর্থ হলে প্রতিবিধানস্বরূপ প্রটোকলের আওতায় সরাসরি জাতিসংঘে অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে অপশনাল। অভিযোগ প্রাপ্তির পর সিডো কমিটির নিজস্ব উৎসর মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে এবং সংশ্লিষ্ট দেশে নতুন করে ওই ঘটনা ত... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | ২. তদন্ত করার প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ সরকার ২০০০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অপশনাল প্রটোকলের দুটি ধারায় সংরক্ষণ আরোপ করে অপশনাল প্রটোকলে স্বাক্ষর করেছে। নারীর মানবাধিকার সংরক্ষণের অপশনাল প্রটোকল একটি কার্যকর প্রক্রিয়া হিসেবে জাতিসংঘের যেসব সদস্য রাষ্ট্র প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে, সেসব রাষ্ট্রের ওপর দায়বদ্ধতার চাপ অব্যাহত রাখার ক্ষেত... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | এর মধ্যে ১৬টি ধারা কর্মসূচি সংক্রান্ত, বাকি ১৪টি ধারা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় সম্পর্কিত।বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৪ সালে এই বৈশ্বিক দলিলটিতে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সনদের গুরুত্বপূর্ণ শরিক রাষ্ট্রের দায়দায়িত্বের নীতি স্বাক্ষর করার সময় বাংলাদেশ সরকার এই সনদের চারটি ধারায় সংরক্ষণ আরোপ করে। চলমান নারী আন্দোলন ও মান... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | কাজেই সিডও সনদের দুটি ধারার ওপর সংরক্ষণ বহাল থাকার বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের মর্ম কথার সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক।সিডও সনদের ২ নম্বর ধারায় নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক রীতি-নীতি, প্রথা, আচার-ব্যবহার নিষিদ্ধ করে নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা প্রতিষ্ঠার নীতিমালার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সব ক্ষেত্রে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ড থে... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | সিডও কমিটি উপস্থিত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, দেশের প্রচলিত আইন সংস্কার করে সিডওর আলোকে আইন প্রণয়ন ও ইউনিফর্ম ফ্যামিলি কোড চালুর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানায়। এ ছাড়া সব পর্যায়ে নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সিডওর মূল মর্মবাণীর সঙ্গে অভিন্ন পারিবারিক আইনের ধারাগুলো এক ও অভিন্ন। বিচারপতি কে এম সোবহান ইউনিফর্ম ফ্যামিলি কোডের যৌক্তিকতা সম্পর্কে বলেছেন, “বাংলাদেশে সব নাগরিকের জন্য আইন আছে, আদালত আছে, যা ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী ও নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য। বাংলাদেশের প্রতিটি ধর্মের লোকের... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | অর্থাৎ বিয়ে এবং বিয়েবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকার সম্পর্কিত আইন আছে, যা নাগরিকদের মধ্যে বিভাজনের সৃষ্টি করেছে, যা অসাংবিধানিক এবং মৌলিক অধিকারবিরোধী। ”অভিন্ন পারিবারিক আইনের বিষয়গুলো হলো : ১. অভিন্ন বিয়ে ও বিয়েবিচ্ছেদ রেজিস্ট্রেশন আইন, ২. অভিন্ন ভরণ-পোষণ আইন, ৩. অভিন্ন অভিভাবকত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ৪. অভিন্ন দত্তক ও পোষ্য সন... |
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার সিডও | সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার এবং বাংলাদেশে নারীর সম-অধিকার আইনগত ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থেকে নারীর প্রতি বিরাজমান সব ধরনের বৈষম্য বিলোপের দলিল বাস্তবায়নের জন্য মহিলা পরিষদও ইউনিফর্ম ফ্যামিলি কোড বা অভিন্ন পারিবারিক আইন দেশের সব শ্রেণি-পেশার-ধর্মের নারীদের জন্য তথা দেশের সব নাগরিকের জন্য একটি সমতাভিত্তিক সর্বজনীন ... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | কোনো বিদ্যুৎ না নিয়েই গত ১১ বছরে সরকার বিদ্যুৎ কম্পানিগুলোকে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। এটি ক্যাপাসিটি চার্জ বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতার ভাড়া নামে পরিচিত। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।এই অর্থ দেশের বিদ্যুৎ খাতে ব্যয়ের বোঝা বাড়াচ্ছে |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | এই বোঝা হালকা করতে সরকারকে যেমন ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, তেমনি বিদ্যুতের দামও বাড়াতে হচ্ছে। এতে শেষ পর্যন্ত টাকাটা গ্রাহকদের পকেট থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে জানানো হয়, সরকারি-বেসরকারি ৯০টি কেন্দ্রকে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে এলএনজিভিত্তিক তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতেও থাকছে ক্যাপাসিটি চার্জ।বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র মিলিয়ে ২৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। কিন্তু এ পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | কম্পানিগুলোর সঙ্গে সরকারের করা ক্রয় চুক্তি অনুযায়ী, সক্ষমতার পুরো বিদ্যুৎ উৎপাদন বা কেনা না হলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ভাড়া বাবদ নির্দিষ্ট হারে অর্থ (ক্যাপাসিটি চার্জ) পরিশোধ করতে হবে। এই ৯০ হাজার কোটি টাকা সেই অর্থ, যা কম্পানিগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেই পেয়েছে।জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের ধারণা ছিল, ২০২৫ সালের ম... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | তাই এখন পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তা না হলে, অতিরিক্ত দামের বিদ্যুতের কারণে শিল্পপণ্যের উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাবে।জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম কালের কণ্ঠকে বলেন, তেলভিত্তিক কিছু কেন্দ্র আছে, যেগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে না, অথবা সারা বছরে অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। সেগুলোকে শতকোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দ... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | এমন কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।ম. তামিম বলেন, মূলত বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা পূরণের জন্য কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র রিজার্ভ রাখতে হয়। এই কেন্দ্রগুলো যখন বসে থাকবে, তখন শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ পাবে। তবে রিজার্ভে রাখার বিষয়টি হিসাব-নিকাশ করে রাখতে হবে, যাতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত না হয় |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জ বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত প্রক্রিয়া। যদি কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বসিয়ে না রাখা হয়, তাহলে পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ১০ হাজার মেগাওয়াট থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াটে উঠে গেল... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | সামিট পাওয়ার, ইউনিক গ্রুপ ও ভারতের রিলায়েন্স গ্রুপ পৃথকভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নির্মাণ করছে।চলতি বছরের অক্টোবরে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার কথা। বাকিটির উৎপাদনের সময় আগামী বছরের মার্চ নাগাদ শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে।খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম ব্যাপক বেড়েছে |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদনে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত হয়ে গেলে গ্যাসের অভাবে চালু করতে না পারলেও এগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জ গুনতে হবে পিডিবিকে।এই বিষয়ে অধ্যাপক ম. তামিম কালের কণ্ঠকে বলেন, এই তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলএনজি কোথা থেকে আসবে, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এলএনজির ... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | তিনি বলেন, ‘এটা একটা মারাত্মক ভয়ের ব্যাপার। সামনে এই কেন্দ্রগুলো আমাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। এলএনজি না দিতে পারলে একসময় এমন হতে পারে, দেশের বিভিন্ন গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রেখে এগুলোকে নিজস্ব গ্যাস সরবরাহ করতে হতে পারে। গ্যাসসংকটে এখনই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | ’পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইনও কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এলএনজিভিত্তিক এই তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে এলে গ্যাসসংকটের কারণে কিছুটা সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমন সংকট যে চলে আসবে, তা তো আগে জানার উপায় ছিল না। তবে এই কেন্দ্রগুলো উৎপাদনে আসতে আসতে দেশীয় কূপগুলো থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের উৎপাদন বাড়তে পারে। ’প... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | উৎপাদন শুরু হয়েছে দুই বছর আগে। কেন্দ্রটি থেকে পূর্ণ সক্ষমতার বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে না পারলেও গত দুই বছরে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ গুনতে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা।পিডিবি সূত্রে জানা যায়, পায়রা কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রটির জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপনের কাজ করছে পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। সঞ্চালন ... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | ফলে এই কেন্দ্র থেকে পুরো বিদ্যুৎ কেনা ছাড়াই আরো ছয় মাসের বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়ে যেতে হবে।জানতে চাইলে ম. তামিম বলেন, সঞ্চালন লাইনের জন্য পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ আনা যাচ্ছে না। কয়েক মাস পর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও উৎপাদনে আসবে। রামপালের বিদ্যুৎও একই সঞ্চালন লাইন দিয়ে আসবে |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | তাই এই সঞ্চালন লাইন যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে করা না যায় তাহলে পায়রার মতো রামপালকেও বসিয়ে বসিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে।রেন্টাল, কুইক রেন্টালের ‘স্বল্প মেয়াদ’ দীর্ঘ হচ্ছে২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবেলায় অতি দ্রুত বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের তাত্ক্ষণিক পরিকল্পনায় স্বল্প মেয়াদি ভাড়াভিত্তিক বি... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | অর্থনীতির ওপর বোঝা তৈরি করার পরও বারবার বাড়ানো হচ্ছে স্বল্পমেয়াদি রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ।বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে মোট ১৮টি রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি কেন্দ্র ‘নো ইলেকট্রিসিটি নো পেমেন্ট’ নীতিতে চলছে। বাকি আটটিকে আগের নিয়মে ক্যাপাসিটি চার্জসহ যাবতীয় ... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | জানতে চাইলে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে চুক্তি ছিল তিন থেকে পাঁচ বছরের। এরপর এগুলোর সঙ্গে একই শর্তে কেন চুক্তি নবায়ন করা হলো তা আমি বুঝতে পারছি না। সম্প্রতি আরো কয়েকটির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সুবিধা দিতে করা হয়েছে বলে ম... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | ’তবে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন দাবি করেন, রেন্টাল, কুইক রেন্টাল এখন আর নেই। এখন যেগুলোর মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ‘নো ইলেকট্রিসিটি নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে না।বিদ্যুৎ আমদানিতেও ক্যাপাসিটি চার্জভারত থেকে বর্তমানে এক হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | এ জন্য গত তিন অর্থবছরে প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে।বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি গ্রুপের নির্মাণ করা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ইউনিট আগামী মাসের শেষ দিকে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ইউনিটের ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও সাবস্টেশন নির্মা... |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | জানতে চাইলে ক্যাবের জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জ একটা স্বীকৃত পদ্ধতি। কিন্তু বাংলাদেশে যা হয়েছে তা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে লাভবান করতে করা হয়েছে। প্রথমত, ক্যাপাসিটি চার্জ অনেক বেশি ধরা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, অপ্রয়োজনে চুক্তি করা হয়েছে |
৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ | শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুতের চাহিদাই সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। এগুলো বিদ্যুতের জন্য করা হয়নি। ব্যবসা দেওয়ার জন্য করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে সরকারের টাকা নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | ভারত থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’ নির্মাণকাজ। বর্তমানে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যের গুয়াহাটির নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত হাইস্পিড ডিজেল আসছে রেলের মাধ্যমে। মৈত্রী পাইপলাইন নির্মাণকাজ শেষ হলে আরো টেকসইভাবে ভারত থেকে জ্বালানি তেল আসার সুযোগ সৃষ্টি... |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | এখন প্রতি মাসে তিন থেকে চার রেক ডিজেল বাংলাদেশে আসছে। নুমালিগড় থেকে প্রথমে তেল আসে শিলিগুড়িতে। এরপর তা ট্রেনে করে বাংলাদেশের পার্বতীপুরে পাঠানো হয়। পাইপলাইন চালু হলে আরো সহযোগিতা সৃষ্টি হবে |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | কূটনৈতিক সূত্রগুলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা ও নির্মাণাধীন মৈত্রী পাইপলাইনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, কভিড মহামারির কারণে ওই পাইপলাইনের কাজ শেষ হতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে শিগগিরই তা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক কালের কণ্ঠকে বলেছেন, স্থায়ী পাইপলাইন নির্মাণের মধ্য দিয়ে... |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ডিজেলের চাহিদা মেটাতে ওই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমুদ্রপথে চট্টগ্রামে তেল আমদানি করে উত্তরের জেলাগুলোতে পৌঁছানো পর্যন্ত যে খরচ পড়ে তার চেয়ে ভারত থেকে আমদানি লাভজনক।এদিকে জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চায় বাংলাদেশও। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে এ বিষয়ে আলোচনা হ... |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | তিনি বলেন, ‘ভারতের যদি উদ্বৃত্ত জ্বালানি থাকে এবং তাদের সঙ্গে যদি আমরা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে পারি, সেটি নিয়ে নিশ্চয়ই আমাদের চেষ্টা থাকবে। পূর্বাঞ্চলে যেসব রাজ্য আছে, সেখানে যদি তেল বেশি থাকে, তাহলে সেখান থেকেও আনার চেষ্টা করা হবে। ’সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, রাশিয়া থেকে ভারতের আমদানি করা তেল বাংলাদেশে রপ্তানির সুযোগ... |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে আগামী মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার বৈঠকে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠক থেকে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা আসবে। এরপর দুই দেশের জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কারিগরি দিকগুলো ... |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | এ ছাড়া রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়াসহ আরো কয়েকটি বিষয় নিয়ে কাজ চলছে।সেপা নিয়ে আলোচনা : এদিকে বাণিজ্য খাতে ভারতের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সেপা)’ নিয়ে আলোচনা হতে পারে আসন্ন শীর্ষ বৈঠকে। সেপা স্বাক্ষরের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ব... |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | কারণ আনুষ্ঠানিক আলোচনা এখনো শুরু হয়নি। কেবল সমীক্ষা শেষ হয়েছে। সেপা নিয়ে আলোচনায় বেশ সময় প্রয়োজন।সেপা সই করলে বাংলাদেশ কিভাবে লাভবান হতে পারে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে বাংলাদেশ এখন যে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা পাচ্ছে সেগুলো এলডিসি উত্তরণের পর থাকবে না |
দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুলছে জ্বালানি খাতে! | এলডিসি থেকে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উত্তরণের পর বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সেপা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের চুক্তির কারিগরি অনেক দিক আছে। অনেক শর্তও থাকে। চুক্তিতে পৌঁছার প্রক্রিয়াটিও খুব সহজ নয়। |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | আসন্ন ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিপুলসংখ্যক দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীর চাপে পড়েছে আওয়ামী লীগ। সাড়ে তিন শতাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ করছেন। তবে দলের প্রবীণ নেতাদেরই জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে। কালের কণ্ঠকে এমনটা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন ... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | মনোনয়ন বোর্ডের একাধিক সদস্য জানান, প্রতি জেলায়ই পাঁচ থেকে সাতজন করে মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা অনেকেই ঢাকায় এসে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মনোনয়ন দিতে অনুরোধ জানাচ্ছেন।মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, জেলা পরিষদে সাধারণত সংশ্লিষ্ট জেলার প্রবীণ নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | তবে মনোনয়নের বিষয়ে জেলা কমিটির মতামত গুরুত্ব পায়।আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, প্রতিদিনই বিকেলে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এসে ভিড় করছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে দেখা করেন সিরাজগঞ্... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | আমাদের পাবনা জেলা প্রতিনিধি জানান, পাবনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে নেমেছেন। এঁরা হলেন জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউর রহিম লাল, সাবেক প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন, সাবেক উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি আ স ম আব্দুর রহিম, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলা... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাত মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে আছেন। তাঁরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক চৌধুরী এমদাদুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, দুই সহসভাপতি শেখ মো. রুহুল আমিন ও সিকদার নূর মোহাম্মদ দুলু, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, জেলায় আওয়ামী লীগের ছয়জন প্রার্থী মাঠে আছেন। তাঁরা হলেন বর্তমান প্রশাসক মো. শাহজাহান, জেলা সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন, চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ব... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘আমাদের দল তো অনেক বড়, প্রার্থীও অনেক। অনেকেই আমাদের সঙ্গে দেখা করছেন। প্রার্থীর অভিজ্ঞতা, দলের জন্য ত্যাগ, সততা—এগুলো মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। ’আগামীকাল থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরুআগামীকাল রবিবার থেকে মনোনয়ন আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হবে, চলবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে।আওয়ামী লীগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে এবং কোনো প্রকার অতিরিক্ত লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর, বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। আপিল ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২৫ সেপ্টেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর।মনোনয়ন বোর্ডের সভা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পরআওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসি... |
বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপে আওয়ামী লীগ | এরপর যেকোনো দিন স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন বোর্ডের সদস্যরা। জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, আগামী ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে মনোনয়ন বোর্ডের সভা বসবে। ’ |
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভাঙনের আশঙ্কা | তিস্তার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে পানি আরো বাড়তে শুরু করেছে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুর পর্যন্ত নদীতীরবর্তী এলাকার চর ও নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, গতকাল সকাল ৬টায় তিস্তা নদী... |
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভাঙনের আশঙ্কা | রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, এলাকার বসতঘর-রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। হাঁটু ও কোমর সমান পানিতে জনজীবন বিপর্যস্ত। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে উঁচু স্থানে। রাস্তাঘাটের পাশাপাশি তলিয়ে যায় আমনের ক্ষেত |
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভাঙনের আশঙ্কা | পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। গবাদি পশু নিয়ে মানুষ বিপাকে পড়েছে।রংপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, উজানে পানি বাড়লে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতির আশঙ্কা আছে। বাড়তে পারে নদীভাঙনের তীব্রতাও |
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভাঙনের আশঙ্কা | কুড়িগ্রামে উলিপুরের বজরা ইউনিয়নে পশ্চিম বজরা গ্রামে তিস্তার ভাঙন অব্যাহত আছে। তবে নতুন করে কোনো স্থাপনা না ভাঙলেও মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। গতকাল পশ্চিম বজরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙনের আশঙ্কায় লোকজন ঘরবাড়ির মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছে। পশ্চিম বজরার পূর্বপাড়া দাখিল মাদরাসার সুপার ও বজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি রাফাকাত হোসেন জা... |
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভাঙনের আশঙ্কা | লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্ণা, পাটিকাপাড়া, সানিয়াজান ও ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জের কাকিনা এবং আদিতমারীর মহিষখোচা ইউনিয়নের নিচু এলাকার কিছু বসতবাড়িতে বৃহস্পতিবার থেকেই পানি উঠতে থাকে। মহিষখোচার কয়েকটি রাস্তায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠে যায়।নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ী, খগাখড়... |
শ্যামপুরে বাস কাউন্টার দখল নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৬ | রাজধানীর শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন বিক্রমপুর প্লাজার সামনে বাস ও পিকআপ কাউন্টার দখল ও বাসে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে বাস শ্রমিকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয় বাবু ও আরিফ গ্রুপের এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন পথচারীসহ উভয় গ্রুপের ছয়জন আহত হয়েছেন।আহতরা হলেন- রনি (৩৫), ... |
শ্যামপুরে বাস কাউন্টার দখল নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৬ | আহতদের রাত ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।এ বিষয়ে শ্যামপুর থানার ওসি মো. মফিজুল আলম রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালের কণ্ঠকে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে কাউন্টার দখলের আধিপত্য নিয়ে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পু... |
শ্যামপুরে বাস কাউন্টার দখল নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৬ | এতে পাঁচজনের মতো আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের কাছ থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে সার্বিক বিষয় নিয়ে পুলিশ সজাগ আছে। |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | বাংলাদেশে ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হবে। অনেকে ভেপিংকে ধূমপানের আসক্তি কাটানোর সহায়ক উপায় হিসেবে গ্রহণ করেছে। ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।আজ শুক্রবার ‘সেইভ ভেপিং, সেইভ বাংলাদেশ’ শিরোনামের এক ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞ ও খাত-সংশ্লিষ্ট আলোচকেরা এই শঙ্কা প্রকাশ... |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন (২০০৫) সংশোধন করতে প্রস্তুত করা খসড়ায় তুলনামূলক নিরাপদ ভেপিং, ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ও ধূমপানের অন্যান্য বিকল্প নিষিদ্ধের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশভিত্তিক ‘ভয়েস অব ভেপারস’ এই ওয়েবিনারের আয়োজন করে।ধূমপানের ক্ষতি হ্রাস বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং হ... |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | এমন গবেষণা ও বাস্তবতা আমলে না নিয়ে বাংলাদেশে ভেপিংকে তামাকজাত পণ্যের সঙ্গে মিলিয়ে তা নিষিদ্ধ করা হচ্ছে ভুলভাবে।হিউম্যান বলেন, যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স, ইউরোপিয়ান অ্যাডিকশন রিসার্চ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিকস অব সায়েন্সে, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসেনের গবেষণাতেও ভেপিং প্রচলিত সিগারেটের তুলনা... |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | কর্তৃপক্ষের উচিত ধূমপান ছাড়তে চায় এমন ব্যক্তিদের জন্য নিরাপদ বিকল্প নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে ভেপিংকে নিষিদ্ধ করার পরিবর্তে নীতিমালার আওতায় এনে ভোক্তাদের জন্য ধূমপানের নিরাপদ বিকল্পের ব্যবস্থা করা কাম্য।অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি সুমন জামান বলেন, ‘অনেক ধূমপায়ী ভেপিংকে ধূম... |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | যারা ধূমপান ছেড়ে আরো বেশি স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করতে চান তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।তিনি ভেপিং নিষিদ্ধের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা এবং এই সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান।যুক্তরাজ্যের ভেপিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মহাপরিচালক জন ডান বলেন, ভেপ... |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | তিনি বলেন, ভেপিংকে নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড এবং কানাডা সাফ্যল পেয়েছে। সেখানে ধূমপায়ীর হার কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বরং ধূমপান ছাড়ার হার কমে যাবে।ওয়ার্ল্ড ভেপার অ্যালায়েন্সের পরিচালক মাইকেল ল্যান্ডল বলেন, বিভিন্ন উপাত্তে দেখা গেছে, ভেপিংয়ের সহজল... |
ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশে ধূমপান আরো বাড়বে | বাংলাদেশের উচিত তামাক সংক্রান্ত নীতিমালায় ভিন্ন আরেকটি অধ্যায় সংযুক্ত করা, যেখানে তামাকের ক্ষতি হ্রাস রূপরেখা সন্নিবেশিত হবে। অন্যান্য দেশের সাফল্য এবং কার্যকর পদ্ধতিগুলোর আলোকে এতে তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ, করকাঠামো, ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়গুলোর বিবরণ থাকবে।সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিস... |
রাজধানীতে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ | তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট ও চা-শ্রমিক শোষণের প্রতিবাদে ‘গণসংস্কৃতি পরিষদ’ আজ শুক্রবার বিকেলে শাহবাগে আয়োজন করে প্রতিবাদী গান, কবিতা, নাচ ও পথনাটকের।অনুষ্ঠানে জাতীয় ও উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন সৈয়দ তামজিদ ও তার দল। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী কবি শওকত হোসেন।অনুষ্ঠানে প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন এলা... |
রাজধানীতে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ | নিজেদের লেখা প্রতিবাদী কবিতা পাঠ করেন ফয়সাল আহমেদ, পাঠান আজহার, আলমগীর হোসেন ও জহুরুল ইসলাম। আবৃত্তিতে অংশ আহমেদ মুন্নী, আরিফুল ইসলাম আদিব, তানজিদা ইসরাত ঋতু ও নুসরাত কেয়া। প্রতিবাদী কোরিওগ্রাফি বা নৃত্য পরিবেশন করেন শাহরিয়ার সুমন ও তার দল।তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট ও চা-শ্রমিক শোষণের নেপথ্যের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ... |
নেতাকর্মীদের ফখরুল বললেন, ‘এবার জীবন-মরণ লড়াই’ | সরকার হটানোর এবারের আন্দোলনই ‘শেষ লড়াই’ বলে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার বিকেলে গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।মির্জা ফখরুল বলেন, এবার শেষ লড়াই হবে। এবার জীবন-মরণ লড়াই করতে হবে |
নেতাকর্মীদের ফখরুল বললেন, ‘এবার জীবন-মরণ লড়াই’ | এবার সেই জাগপার কথায় বলতে চাই, হয় জীবন না হয় মরণ। সেই লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে একটা দুর্বার গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এবারের আন্দোলনে উত্তাল সমুদ্রে যে সুনামি হয় সেই সুনামির মতো এই সরকারকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা পুলিশ বাহিনী... |
নেতাকর্মীদের ফখরুল বললেন, ‘এবার জীবন-মরণ লড়াই’ | আমার ট্যাক্সের পয়সায় তাদের বেতন হয়, তাদের সংসার চলে, তাদের ছেলে-মেয়েরা লেখা-পড়া শেখে, তাদের বউ-বাচ্চাদের কাপড় দেয়-তাই না। তারা আমাদের লোকজনকে গুলি করে মেরে ফেলতে এটা কী আমরা মেনে নেব? আমরা বলতে চাই, আপনাদের আমরা কখনো প্রতিপক্ষ বানাতে চাই না। আপনারা দয়া করে জনগণের প্রতিপক্ষ হবেন না।তিনি বলেন, আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য... |
নেতাকর্মীদের ফখরুল বললেন, ‘এবার জীবন-মরণ লড়াই’ | আপনারা কি চান পুলিশের ওপর এভাবে সেনশন আসুক, আপনারা কি চান এই বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের ওপর সেনশন জারি করুক। আমরা এটা চাই, নিশ্চয় চাই না। আমরা সবাই আশা করব, পুলিশ জনগণের যে ন্যায্য অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটের অধিকার, বেঁচে থাকার অধিকার সে জন্য তারা সহযোগিতা করবে এবং যারা অন্যায় করছে, অবিচার করছে, যারা গুলি করে হত্... |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.